ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে রুমিন ফারহানাকে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ মন্তব্য বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়  ভারতীয় নাগরিক হয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক চন্দ্র, রয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: তথ্য উপদেষ্টা যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দেতে ইসলামের নীরব পদচারণা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করেছে ভারত মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের কারাদণ্ড হাসানুল হক ইনুর

মসজিদ-মাদরাসাসহ ৩৫০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দিলো ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ৬৬৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, লখিমপুর খেরি এবং পিলিভীত— এই সাত জেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে। বুধবার একদিনেই মহারাজগঞ্জে দুটি, শ্রাবস্তী ও বহরাইচে একটি করে স্থাপনা ভাঙা হয়েছে।

মহারাজগঞ্জ জেলার ফারেন্ডা তহসিলের সেমরাহানি গ্রাম এবং নৌতনওয়া তহসিলের জুগৌলি গ্রামে নির্মিত দুটি তথাকথিত অবৈধ মাদরাসা ভেঙে ফেলা হয়। শ্রাবস্তীর ভিঙ্গা তহসিলের কালীমপুরওয়াতে সরকারি জমিতে নির্মিত একটি ‘অনুমতিহীন’ মাদরাসাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, বহরাইচে বন বিভাগের জমিতে একটি মাজার অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল অভিযোগ তুলে সেটিও উচ্ছেদ করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব ‘অবৈধ’ স্থাপনা ভারত-নেপাল সীমান্তের ১০ কিলোমিটার ভেতরে গড়ে তোলা হয়েছিল। সরকারি জমি, বনভূমি কিংবা অন্যান্য জনসম্পত্তি দখল করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা ধর্মীয় রূপ পেলেও, আইন মেনে গড়ে তোলা হয়নি বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন, ধর্মীয় স্থাপনার নামে কোনো দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। এই নির্দেশনার ভিত্তিতে পিলভীত, শ্রাবস্তী, বালরামপুর, বাহরাইচ, সিদ্ধার্থনগর এবং মহারাজগঞ্জ জেলার প্রশাসন ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে।এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে স্থানীয় পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং ভূমি পরিদর্শন দপ্তর। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের পেছনে কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে

মসজিদ-মাদরাসাসহ ৩৫০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দিলো ভারত

আপডেট সময় ০৬:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

এবার ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, লখিমপুর খেরি এবং পিলিভীত— এই সাত জেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে। বুধবার একদিনেই মহারাজগঞ্জে দুটি, শ্রাবস্তী ও বহরাইচে একটি করে স্থাপনা ভাঙা হয়েছে।

মহারাজগঞ্জ জেলার ফারেন্ডা তহসিলের সেমরাহানি গ্রাম এবং নৌতনওয়া তহসিলের জুগৌলি গ্রামে নির্মিত দুটি তথাকথিত অবৈধ মাদরাসা ভেঙে ফেলা হয়। শ্রাবস্তীর ভিঙ্গা তহসিলের কালীমপুরওয়াতে সরকারি জমিতে নির্মিত একটি ‘অনুমতিহীন’ মাদরাসাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, বহরাইচে বন বিভাগের জমিতে একটি মাজার অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল অভিযোগ তুলে সেটিও উচ্ছেদ করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব ‘অবৈধ’ স্থাপনা ভারত-নেপাল সীমান্তের ১০ কিলোমিটার ভেতরে গড়ে তোলা হয়েছিল। সরকারি জমি, বনভূমি কিংবা অন্যান্য জনসম্পত্তি দখল করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা ধর্মীয় রূপ পেলেও, আইন মেনে গড়ে তোলা হয়নি বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন, ধর্মীয় স্থাপনার নামে কোনো দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। এই নির্দেশনার ভিত্তিতে পিলভীত, শ্রাবস্তী, বালরামপুর, বাহরাইচ, সিদ্ধার্থনগর এবং মহারাজগঞ্জ জেলার প্রশাসন ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে।এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে স্থানীয় পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং ভূমি পরিদর্শন দপ্তর। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের পেছনে কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।