ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের সুবাদে আলোচনায় এসেছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। তবে ফুটবলের বাইরে দেশটির আরেকটি গল্পও ধীরে ধীরে নজর কাড়ছে—সেটি হলো ইসলামের বিকাশ।

আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে মুসলিমদের সংখ্যা খুবই কম। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দেশে মুসলিম রয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজারের মতো। তাদের বেশিরভাগই সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালি থেকে আসা অভিবাসী। রাজধানী প্রাইয়া ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে তারা ব্যবসা, পর্যটন, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কেপ ভার্দেতে ইসলামের ইতিহাস শুরু হয় প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে। পর্তুগিজ উপনিবেশ আমলে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ী ও ক্রীতদাসদের হাত ধরেই দ্বীপটিতে ইসলামের আগমন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ধর্মীয় স্বাধীনতা না থাকায় মুসলিমরা প্রকাশ্যে ধর্মচর্চা করতে পারেননি।

১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিমরা নিজেদের পরিচয় ও ধর্মীয় কার্যক্রম গড়ে তোলার সুযোগ পান। ১৯৯০ সালে রাজধানী প্রাইয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম সরকারি স্বীকৃত মসজিদ, যা আজও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান কেন্দ্র।

সংখ্যায় কম হলেও কেপ ভার্দের মুসলিমরা এখন দেশটির অর্থনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ইসলামের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতির একটি অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়

আপডেট সময় ০৪:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের সুবাদে আলোচনায় এসেছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। তবে ফুটবলের বাইরে দেশটির আরেকটি গল্পও ধীরে ধীরে নজর কাড়ছে—সেটি হলো ইসলামের বিকাশ।

আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে মুসলিমদের সংখ্যা খুবই কম। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দেশে মুসলিম রয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজারের মতো। তাদের বেশিরভাগই সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালি থেকে আসা অভিবাসী। রাজধানী প্রাইয়া ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে তারা ব্যবসা, পর্যটন, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কেপ ভার্দেতে ইসলামের ইতিহাস শুরু হয় প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে। পর্তুগিজ উপনিবেশ আমলে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ী ও ক্রীতদাসদের হাত ধরেই দ্বীপটিতে ইসলামের আগমন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ধর্মীয় স্বাধীনতা না থাকায় মুসলিমরা প্রকাশ্যে ধর্মচর্চা করতে পারেননি।

১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিমরা নিজেদের পরিচয় ও ধর্মীয় কার্যক্রম গড়ে তোলার সুযোগ পান। ১৯৯০ সালে রাজধানী প্রাইয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম সরকারি স্বীকৃত মসজিদ, যা আজও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান কেন্দ্র।

সংখ্যায় কম হলেও কেপ ভার্দের মুসলিমরা এখন দেশটির অর্থনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ইসলামের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতির একটি অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন।