ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে রুমিন ফারহানাকে নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ মন্তব্য বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়  ভারতীয় নাগরিক হয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক চন্দ্র, রয়েছে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: তথ্য উপদেষ্টা যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দেতে ইসলামের নীরব পদচারণা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করেছে ভারত মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের কারাদণ্ড হাসানুল হক ইনুর

বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের সুবাদে আলোচনায় এসেছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। তবে ফুটবলের বাইরে দেশটির আরেকটি গল্পও ধীরে ধীরে নজর কাড়ছে—সেটি হলো ইসলামের বিকাশ।

আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে মুসলিমদের সংখ্যা খুবই কম। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দেশে মুসলিম রয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজারের মতো। তাদের বেশিরভাগই সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালি থেকে আসা অভিবাসী। রাজধানী প্রাইয়া ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে তারা ব্যবসা, পর্যটন, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কেপ ভার্দেতে ইসলামের ইতিহাস শুরু হয় প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে। পর্তুগিজ উপনিবেশ আমলে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ী ও ক্রীতদাসদের হাত ধরেই দ্বীপটিতে ইসলামের আগমন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ধর্মীয় স্বাধীনতা না থাকায় মুসলিমরা প্রকাশ্যে ধর্মচর্চা করতে পারেননি।

১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিমরা নিজেদের পরিচয় ও ধর্মীয় কার্যক্রম গড়ে তোলার সুযোগ পান। ১৯৯০ সালে রাজধানী প্রাইয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম সরকারি স্বীকৃত মসজিদ, যা আজও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান কেন্দ্র।

সংখ্যায় কম হলেও কেপ ভার্দের মুসলিমরা এখন দেশটির অর্থনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ইসলামের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতির একটি অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে

বিশ্বকাপের আলোচনায় কেপ ভার্দে, বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়

আপডেট সময় ০৪:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের সুবাদে আলোচনায় এসেছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। তবে ফুটবলের বাইরে দেশটির আরেকটি গল্পও ধীরে ধীরে নজর কাড়ছে—সেটি হলো ইসলামের বিকাশ।

আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রে মুসলিমদের সংখ্যা খুবই কম। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দেশে মুসলিম রয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজারের মতো। তাদের বেশিরভাগই সেনেগাল, গিনি-বিসাউ ও মালি থেকে আসা অভিবাসী। রাজধানী প্রাইয়া ও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে তারা ব্যবসা, পর্যটন, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কেপ ভার্দেতে ইসলামের ইতিহাস শুরু হয় প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে। পর্তুগিজ উপনিবেশ আমলে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা মুসলিম ব্যবসায়ী ও ক্রীতদাসদের হাত ধরেই দ্বীপটিতে ইসলামের আগমন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ধর্মীয় স্বাধীনতা না থাকায় মুসলিমরা প্রকাশ্যে ধর্মচর্চা করতে পারেননি।

১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিমরা নিজেদের পরিচয় ও ধর্মীয় কার্যক্রম গড়ে তোলার সুযোগ পান। ১৯৯০ সালে রাজধানী প্রাইয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম সরকারি স্বীকৃত মসজিদ, যা আজও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান কেন্দ্র।

সংখ্যায় কম হলেও কেপ ভার্দের মুসলিমরা এখন দেশটির অর্থনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ইসলামের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতির একটি অনন্য উদাহরণ তৈরি করছেন।