ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের নোয়াখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চার পরিবর্তন নিয়ে রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল মেহেরপুর তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি-গ্রামবাসীর প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ, সীমান্তে সতর্ক অবস্থান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বলাৎকার, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মেহেরপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি ফারুক সম্পাদক মুক্ত রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প

ভারতীয়দের ধরা ইলিশসহ ৮ হাজার কেজি মাছ বিক্রি করে দিলো বাংলাদেশ 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৯৮২ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার দায়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভারতীয় দুটি ট্রলার জব্দ করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। তাদের ট্রলার থেকে পাওয়া ইলিশসহ আট হাজার কেজি মাছ পরে নিলামে বিক্রি করা হয়। অপর দিকে ট্রলারে থাকা ৩৪ জেলেকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের ডাকা নিলামে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ভোর পর্যন্ত মাছগুলো বিক্রি করা হয় ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী শিকার হওয়া অবৈধ মাছ নিলামে তুলে বিক্রির বিধান রয়েছে। এ কারণে অবৈধভাবে ভারতীয় জেলেদের জালে ধরা ইলিশ, বেলে, রূপচাঁদা, ছুরি, চিংড়িসহ ১০ প্রজাতির আট হাজার সামুদ্রিক মাছ নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। মাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক মাছ ধরার ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। ট্রলার দুটির দিকে টহল দল এগোতে থাকলে ট্রলারগুলো নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ভারতীয় জেলেরা। তখন ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামে দুটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলার এবং সঙ্গে থাকা ৩৪ ভারতীয় জেলেকে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যেই আটক করে নৌবাহিনী।

এদিকে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্র আইন বা মেরিন ফিশারিজ ‘ল’ ধরায় মামলা হয়েছে। মোংলা নৌঘাঁটির পেটি অফিসার রেজাউল করিম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। আসামিরা ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

ভারতীয়দের ধরা ইলিশসহ ৮ হাজার কেজি মাছ বিক্রি করে দিলো বাংলাদেশ 

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

এবার বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার দায়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভারতীয় দুটি ট্রলার জব্দ করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। তাদের ট্রলার থেকে পাওয়া ইলিশসহ আট হাজার কেজি মাছ পরে নিলামে বিক্রি করা হয়। অপর দিকে ট্রলারে থাকা ৩৪ জেলেকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের ডাকা নিলামে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ভোর পর্যন্ত মাছগুলো বিক্রি করা হয় ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী শিকার হওয়া অবৈধ মাছ নিলামে তুলে বিক্রির বিধান রয়েছে। এ কারণে অবৈধভাবে ভারতীয় জেলেদের জালে ধরা ইলিশ, বেলে, রূপচাঁদা, ছুরি, চিংড়িসহ ১০ প্রজাতির আট হাজার সামুদ্রিক মাছ নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। মাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক মাছ ধরার ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। ট্রলার দুটির দিকে টহল দল এগোতে থাকলে ট্রলারগুলো নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ভারতীয় জেলেরা। তখন ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামে দুটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলার এবং সঙ্গে থাকা ৩৪ ভারতীয় জেলেকে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যেই আটক করে নৌবাহিনী।

এদিকে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্র আইন বা মেরিন ফিশারিজ ‘ল’ ধরায় মামলা হয়েছে। মোংলা নৌঘাঁটির পেটি অফিসার রেজাউল করিম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। আসামিরা ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।