ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার দুই মাসের মধ্যে জনগণকে রাজপথে আসতে বাধ্য করছে: এটিএম আজহার বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি: অর্থমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ইরানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানি জাহাজে চীনা মিসাইলের কেমিক্যাল, তবে কি ইরানকে টিকিয়ে রাখার নেপথ্যে বেইজিং? এক পরিবারে দুই এমপির নীতি না থাকায় আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি: হামিদুর রহমান আযাদ দৃষ্টি নেই, তবুও স্বপ্ন অটুট শরীফের ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সেনাবাহিনী: জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুদ্ধে নিজেদের সাফল্য তুলে না ধরায় মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

ভারতীয়দের ধরা ইলিশসহ ৮ হাজার কেজি মাছ বিক্রি করে দিলো বাংলাদেশ 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৯৭১ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার দায়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভারতীয় দুটি ট্রলার জব্দ করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। তাদের ট্রলার থেকে পাওয়া ইলিশসহ আট হাজার কেজি মাছ পরে নিলামে বিক্রি করা হয়। অপর দিকে ট্রলারে থাকা ৩৪ জেলেকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের ডাকা নিলামে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ভোর পর্যন্ত মাছগুলো বিক্রি করা হয় ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী শিকার হওয়া অবৈধ মাছ নিলামে তুলে বিক্রির বিধান রয়েছে। এ কারণে অবৈধভাবে ভারতীয় জেলেদের জালে ধরা ইলিশ, বেলে, রূপচাঁদা, ছুরি, চিংড়িসহ ১০ প্রজাতির আট হাজার সামুদ্রিক মাছ নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। মাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক মাছ ধরার ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। ট্রলার দুটির দিকে টহল দল এগোতে থাকলে ট্রলারগুলো নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ভারতীয় জেলেরা। তখন ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামে দুটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলার এবং সঙ্গে থাকা ৩৪ ভারতীয় জেলেকে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যেই আটক করে নৌবাহিনী।

এদিকে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্র আইন বা মেরিন ফিশারিজ ‘ল’ ধরায় মামলা হয়েছে। মোংলা নৌঘাঁটির পেটি অফিসার রেজাউল করিম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। আসামিরা ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ভারতীয়দের ধরা ইলিশসহ ৮ হাজার কেজি মাছ বিক্রি করে দিলো বাংলাদেশ 

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

এবার বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার দায়ে বঙ্গোপসাগর থেকে ভারতীয় দুটি ট্রলার জব্দ করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। তাদের ট্রলার থেকে পাওয়া ইলিশসহ আট হাজার কেজি মাছ পরে নিলামে বিক্রি করা হয়। অপর দিকে ট্রলারে থাকা ৩৪ জেলেকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় মৎস্য বিভাগের ডাকা নিলামে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ভোর পর্যন্ত মাছগুলো বিক্রি করা হয় ১৭ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী শিকার হওয়া অবৈধ মাছ নিলামে তুলে বিক্রির বিধান রয়েছে। এ কারণে অবৈধভাবে ভারতীয় জেলেদের জালে ধরা ইলিশ, বেলে, রূপচাঁদা, ছুরি, চিংড়িসহ ১০ প্রজাতির আট হাজার সামুদ্রিক মাছ নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। মাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক মাছ ধরার ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর সদস্যরা। ট্রলার দুটির দিকে টহল দল এগোতে থাকলে ট্রলারগুলো নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ভারতীয় জেলেরা। তখন ধাওয়া করে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামে দুটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলার এবং সঙ্গে থাকা ৩৪ ভারতীয় জেলেকে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যেই আটক করে নৌবাহিনী।

এদিকে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্র আইন বা মেরিন ফিশারিজ ‘ল’ ধরায় মামলা হয়েছে। মোংলা নৌঘাঁটির পেটি অফিসার রেজাউল করিম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। আসামিরা ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।