ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ইনশাআল্লাহ-জাযাকাল্লাহ’ বলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি অসহায় অর্ধশতাধিক নারী থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ যুবদল-বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শিবিরের ‘গুপ্ত’ সন্দেহ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে খেয়ে না খেয়ে কাটছে শত বছরের ছালেহার শেষবেলা: ৬ সন্তান থাকলেও খোঁজ নেওয়ার মতো নেই কেউ! বিলুপ্ত র‌্যাব, নতুন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের আইন ‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার মৃত্যুকামনা করবে সন্তানরা’ জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে শুটিংয়ে কেঁদেছিলেন ক্রিস্টোফার লি নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের কারখানায় সরবরাহ বেড়েছে, বাসাবাড়িতে গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট কাটবে কবে? কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন এনসিপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া সালাউদ্দিন

অসহায় অর্ধশতাধিক নারী থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ যুবদল-বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চান্দিনায় সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান চালু না হলেও গ্রামের অসহায় দরিদ্র পরিবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া, জোরপুকুরিয়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের অর্ধশতাধিক অসহায় নারীদের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নাম করে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ছবি ও জনপ্রতি ৫শ টাকা নেয় এক যুবদল ও এক বিএনপি নেতা।

অভিযুক্তরা হলেন- মহিচাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম এবং জোরপুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও এক মাসেও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী নারী জোরপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাশিদা বেগম জানান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আমার ও আমার দুই পুত্রবধূর কাছ থেকে ২ কপি ছবি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও প্রতিজনের জন্য ৫শ টাকা করে নিয়েছে। প্রায় দুই মাস পরও আমরা ফ্যামিলি কার্ড না পেয়ে তার কাছে যাই এবং তিনি আমাদের বিভিন্ন কথা বলে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা এলাকার কয়েকজনকে জানাই এবং তারা আমাদের পক্ষ হয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

একই অভিযোগ করেন জামিরাপাড়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামে আয়েশা, হালিমা ও নূরজাহানসহ ভুক্তভোগী নারীরা।

অভিযুক্ত যুবদল নেতা খোরশেদ আলম জানান, আবুল হোসেনের কথামতো কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। যে টাকা নিয়েছি সেগুলো চান্দিনা সদরে যাতায়াত ও অনলাইনে আবেদন খরচ হিসেবে নিয়েছি।

অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, আমি তিন গ্রামে ৫৯টি আবেদনের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। সেই টাকা ও কাগজপত্র এখনও আমার কাছে আছে। যারা চাইবে তাদের ফেরত দিয়ে দেব।

চান্দিনাতে এখনো কি ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগে নিয়ে রেখেছি, যখন চালু হবে, তখন দেব।

ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেহেতু আমার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমি আবেদনটি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইনশাআল্লাহ-জাযাকাল্লাহ’ বলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি

অসহায় অর্ধশতাধিক নারী থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ যুবদল-বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ১১:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চান্দিনায় সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান চালু না হলেও গ্রামের অসহায় দরিদ্র পরিবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহিচাইল ইউনিয়নের জামিরাপাড়া, জোরপুকুরিয়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামের অর্ধশতাধিক অসহায় নারীদের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার নাম করে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, ছবি ও জনপ্রতি ৫শ টাকা নেয় এক যুবদল ও এক বিএনপি নেতা।

অভিযুক্তরা হলেন- মহিচাইল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খোরশেদ আলম এবং জোরপুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও এক মাসেও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী নারী জোরপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা রাশিদা বেগম জানান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আমার ও আমার দুই পুত্রবধূর কাছ থেকে ২ কপি ছবি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও প্রতিজনের জন্য ৫শ টাকা করে নিয়েছে। প্রায় দুই মাস পরও আমরা ফ্যামিলি কার্ড না পেয়ে তার কাছে যাই এবং তিনি আমাদের বিভিন্ন কথা বলে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাধ্য হয়ে আমরা এলাকার কয়েকজনকে জানাই এবং তারা আমাদের পক্ষ হয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

একই অভিযোগ করেন জামিরাপাড়া ও ছেঙ্গাছিয়া গ্রামে আয়েশা, হালিমা ও নূরজাহানসহ ভুক্তভোগী নারীরা।

অভিযুক্ত যুবদল নেতা খোরশেদ আলম জানান, আবুল হোসেনের কথামতো কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। যে টাকা নিয়েছি সেগুলো চান্দিনা সদরে যাতায়াত ও অনলাইনে আবেদন খরচ হিসেবে নিয়েছি।

অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, আমি তিন গ্রামে ৫৯টি আবেদনের জন্য কাগজপত্র ও টাকা নিয়েছি। সেই টাকা ও কাগজপত্র এখনও আমার কাছে আছে। যারা চাইবে তাদের ফেরত দিয়ে দেব।

চান্দিনাতে এখনো কি ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগে নিয়ে রেখেছি, যখন চালু হবে, তখন দেব।

ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেহেতু আমার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমি আবেদনটি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।