রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড শুনানিতে আনিস আলমগীর আদালতে বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে আসছেন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি নতজানু হওয়া তার কাজ নয়। তিনি বলেন, “আমাকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। আমার সব বক্তব্য ফেসবুকে প্রকাশিত, অপ্রকাশিত কিছু নেই।”
তিনি আরও বলেন, “ড. ইউনূস যদি চান, সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাবেন, বানাতে পারেন।”
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তাকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।
এর আগে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর ধানমন্ডির একটি জিম থেকে আনিস আলমগীরকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয় এবং পরে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। সোমবার দুপুরে ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’-এর কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পাশাপাশি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























