ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদে আমি অসুস্থ ছিলাম, কি বলেছি-তা বুঝতে পারছি না: জামায়াত এমপি ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের উরুগুয়ে ম্যাচের আগেই মায়ামিতে মায়ের সাথে দেখা হচ্ছে ভোজিনহার বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ মোদিকে দেখতে অত্যন্ত ভদ্র মনে হলেও বাস্তবে তিনি ‘টোটাল কিলার’: ট্রাম্প সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করল আফগানিস্তান প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা অন্যায্য: ট্রাম্প সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা সত্যটা মেনে নেওয়ার সময় এসেছে, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো রাতারাতি বদলে গেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মমতার বাড়ি থেকে সরিয়ে নেয়া হলো পুলিশি নিরাপত্তা

প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা অন্যায্য: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কাছে না থাকা কিছুটা অন্যায্য বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর টাইমস অফ ইসরায়েলের।  ট্রাম্প বলেন, ইরানের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা উচিত এবং এতে তিনি আপত্তি দেখেন না। সৌদি আরব, কাতারসহ অন্যদের কাছে যদি থাকে, তাহলে আনুপাতিকভাবে ইরানেরও কিছু থাকা ঠিক আছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র আসল সমস্যা নয়। এগুলো সীমিত এলাকায় ক্ষতি করে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের মতো পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে না। ট্রাম্প বলেন, যদি এই চুক্তি না হতো, তাহলে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ ইরানে বোমাবর্ষণ চলতে পারত। কিন্তু তাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যেত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়ত। তিনি আরও বলেন, বাজার এমন পর্যায়ে নেমে যেত যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা একটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছি।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র মিলে যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে, তখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিল, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এ বিষয়ে মার্কিন অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা গেছে। যদিও তিনি জানান, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়টি আলোচিত হবে।

এদিকে, ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত রোববার ডিজিটালি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। পরে ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান তা অনুমোদন করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অবিলম্বে হস্তান্তর করতে হবে না। বরং আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধি মাত্রা কমানোর প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে আমি অসুস্থ ছিলাম, কি বলেছি-তা বুঝতে পারছি না: জামায়াত এমপি

প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা অন্যায্য: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:০০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কাছে না থাকা কিছুটা অন্যায্য বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর টাইমস অফ ইসরায়েলের।  ট্রাম্প বলেন, ইরানের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা উচিত এবং এতে তিনি আপত্তি দেখেন না। সৌদি আরব, কাতারসহ অন্যদের কাছে যদি থাকে, তাহলে আনুপাতিকভাবে ইরানেরও কিছু থাকা ঠিক আছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র আসল সমস্যা নয়। এগুলো সীমিত এলাকায় ক্ষতি করে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের মতো পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে না। ট্রাম্প বলেন, যদি এই চুক্তি না হতো, তাহলে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ ইরানে বোমাবর্ষণ চলতে পারত। কিন্তু তাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যেত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়ত। তিনি আরও বলেন, বাজার এমন পর্যায়ে নেমে যেত যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা একটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছি।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র মিলে যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে, তখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিল, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এ বিষয়ে মার্কিন অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা গেছে। যদিও তিনি জানান, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়টি আলোচিত হবে।

এদিকে, ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত রোববার ডিজিটালি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। পরে ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান তা অনুমোদন করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অবিলম্বে হস্তান্তর করতে হবে না। বরং আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধি মাত্রা কমানোর প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।