ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ শনিবার (১৬ মে)। ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বিশাল লংমার্চটি রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে গিয়ে শেষ হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এমন সোচ্চার জনমত ফারাক্কা লংমার্চের আগে-পরে কখনো দেখা যায়নি।

সে সময় চুক্তি অনুযায়ী পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি পূরণ না হওয়ায় মরুকরণের দিকে যাচ্ছিল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। যদিও সে অবস্থার এখনও পরিবর্তন হয়নি। ১৯৯৬ সালে ফারাক্কার পানি ভাগাভাগির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নতুন করে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ পানি পায়নি।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের মনোহরপুরে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। বাঁধ দিয়ে গঙ্গার পানি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ায় পদ্মায় পানি প্রবাহ হারিয়ে ফেলে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে সারাবছরই পদ্মানদী থাকে নাব্য সংকটে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিক্সের শিকার

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

আপডেট সময় ০৯:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ শনিবার (১৬ মে)। ১৯৭৬ সালের আজকের দিনে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে সারা দেশ থেকে রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বিশাল লংমার্চটি রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে গিয়ে শেষ হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে এমন সোচ্চার জনমত ফারাক্কা লংমার্চের আগে-পরে কখনো দেখা যায়নি।

সে সময় চুক্তি অনুযায়ী পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি পূরণ না হওয়ায় মরুকরণের দিকে যাচ্ছিল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল। যদিও সে অবস্থার এখনও পরিবর্তন হয়নি। ১৯৯৬ সালে ফারাক্কার পানি ভাগাভাগির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নতুন করে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ পানি পায়নি।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের মনোহরপুরে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে। বাঁধ দিয়ে গঙ্গার পানি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ায় পদ্মায় পানি প্রবাহ হারিয়ে ফেলে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে সারাবছরই পদ্মানদী থাকে নাব্য সংকটে।