ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে সরকারি আয়োজনে বিশাল সমাবেশ, দেশের জন্য অস্ত্র হাতে লড়াইয়ের অঙ্গীকার লাখো মানুষের সৌদিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর হামলার জেরে বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম: ডন ইউক্রেনের ড্রোন হামলার মধ্যেই পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ের পথে পুতিনের দল সাকিবের বাসার গেটে দাঁড়িয়ে আয়াসের প্রস্রাব ও বিতর্কিত আচরণের ভিডিও ভাইরাল ‘কখন যে পুরো দেশটাকেই উড়িয়ে দেব’: ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি বাসে অগ্নিসংযোগ ঠেকাতে সতর্ক মালিক-শ্রমিক-পুলিশ রাবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় ৪ রেলকর্মী সাময়িক বরখাস্ত দাম বাড়িয়ে জনগণের রক্ত-ঘামের টাকা শোষণ করা হচ্ছে: সারজিস ‘ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়’: এমপি নজরুলের স্ত্রীর চিরকুট তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফেসবুকে পোস্ট, ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

তারেক রহমানকে দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ জিএম কাদেরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তার মতে, ভারত থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করলে দেশটি বিষয়টি সহজভাবে নেবে না।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যারা ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, আমার মনে হয় তারা তাকে সঠিকভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন না।’ ভারতের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে তার কিছুটা ধারণা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, ভারতীয়রা নিজেদের দেশ, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। দল-মত নির্বিশেষে ভারতীয়রা নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করেন। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ভারতীয়রাও নিজেদের ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

তার ভাষ্য, ভারত কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হলে বিষয়টি দেশটির মানুষ সহজভাবে নাও নিতে পারেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া উচিত। যদি যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত আমন্ত্রণটি গ্রহণ করা উচিত।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা যত কথাই বলি না কেন, বাস্তবতা হলো ভারত আমাদের চারপাশে।’

বাংলাদেশকে ভারত শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার দৃষ্টিতে দেখে—এমন ধারণাও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন জিএম কাদের। তার মতে, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে সেটি ভারতের জন্যও ইতিবাচক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও মুসলিমপ্রধান জনসংখ্যাকে ভারত সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। কারণ, কোনো দরিদ্র ও মুসলিমপ্রধান দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে সেখানে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের বিকাশ ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রতিবেশী দেশটির থাকতে পারে।

জিএম কাদেরের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা শুধু দেশের স্বার্থেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে সরকারি আয়োজনে বিশাল সমাবেশ, দেশের জন্য অস্ত্র হাতে লড়াইয়ের অঙ্গীকার লাখো মানুষের

তারেক রহমানকে দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ জিএম কাদেরের

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তার মতে, ভারত থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করলে দেশটি বিষয়টি সহজভাবে নেবে না।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যারা ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, আমার মনে হয় তারা তাকে সঠিকভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন না।’ ভারতের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে তার কিছুটা ধারণা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, ভারতীয়রা নিজেদের দেশ, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। দল-মত নির্বিশেষে ভারতীয়রা নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করেন। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ভারতীয়রাও নিজেদের ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

তার ভাষ্য, ভারত কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হলে বিষয়টি দেশটির মানুষ সহজভাবে নাও নিতে পারেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া উচিত। যদি যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত আমন্ত্রণটি গ্রহণ করা উচিত।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা যত কথাই বলি না কেন, বাস্তবতা হলো ভারত আমাদের চারপাশে।’

বাংলাদেশকে ভারত শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার দৃষ্টিতে দেখে—এমন ধারণাও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন জিএম কাদের। তার মতে, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে সেটি ভারতের জন্যও ইতিবাচক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও মুসলিমপ্রধান জনসংখ্যাকে ভারত সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। কারণ, কোনো দরিদ্র ও মুসলিমপ্রধান দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে সেখানে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের বিকাশ ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রতিবেশী দেশটির থাকতে পারে।

জিএম কাদেরের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা শুধু দেশের স্বার্থেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।