এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষ এক বিশেষ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, এমনটাই দাবি করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে তেহরানকে ‘ভাল ব্যবহার’ করার পরামর্শ দিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, নিজেদের অবস্থানের পরিবর্তন না করলে ইরানের পরিণতি ভয়াবহ হবে। এর পরেই ট্রাম্পের তোপ, ‘‘কখন যে পুরো দেশটাকেই উড়িয়ে দেব!’’
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি, খুব তাড়াতাড়ি বড়সড় কোনও ঘটনা ঘটতে পারে। তাঁর ইঙ্গিত, অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক ভাবে তিনি ইরানকে ধরাশায়ী করতে পারেন।
অন্য দিকে, ইরানের পার্লামেন্টে সে দেশের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবাফের দাবি, এখনই উপযুক্ত সময় বিচক্ষণতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াই এবং একই সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার। তাঁর আরও দাবি, ইরানের কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট ও যুক্তিযুক্ত। তেহরান কোনও আপোষের শর্তে রাজি নয় দাবি করে গালিবাফের বক্তব্য, ‘‘শত্রুরা খুব ভাল করেই জানে যে এখন প্রতারণা করা বা একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পথ বন্ধ।’’ তেহরানের সমস্ত শর্ত ইতিমধ্যেই আমেরিকার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি গালিবাফের।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ইরানের তরফে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। তেহরান জানিয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কোনও কিছু বিবেচনা না করেই তার জবাব দেওয়া হবে। গত ২০ সেপ্টেম্বর কাতারের মাধ্যমে আমেরিকাকে সাতটি শর্ত দিয়েছিল ইরান। সেই দাবি প্রত্যাখ্যাত হলে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ ও যুদ্ধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল তেহরান। তার পরেই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ট্রাম্প।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















