ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সরকার মনে করে সেনাবাহিনীকে আর মাঠে রাখার প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী  কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে অবরুদ্ধ এমপি আমির হামজা প্রান্তিক কৃষকদের পাশে ব্র্যাক: বাউফলে ১০০ কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ বিতরণ ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?: বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন এবার লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে ডিএমপি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!: সমালোচনার জবাবে মাদানী

জুলাই গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনা ‘মাস্টারমাইন্ড’—প্রসিকিউশনের পাঁচ অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন**

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জুলাই-অগাস্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হন। অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা দৃষ্টিশক্তিহীন হয়ে পড়েন।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে—২০২৪ সালের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং তাঁদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে উল্লেখ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এর প্ররোচনায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও অন্যান্য কর্মকর্তার সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র আওয়ামী কর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়—আন্দোলনকারীদের দমন করতে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা, যা বাস্তবায়ন করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রধান।

তৃতীয় অভিযোগ আনা হয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় দায়িত্ব ও সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়—৫ আগস্ট রাজধানীর চাঁনখারপুলে আন্দোলনকারী ছয়জনকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ ও প্ররোচনায় অভিযুক্তরা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেন।

পঞ্চম অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে—এক দফা দাবির ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির সময় আশুলিয়ায় ছাত্রদের গুলি করে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামি হত্যার পরিকল্পনা, নির্দেশ ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

জুলাই গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনা ‘মাস্টারমাইন্ড’—প্রসিকিউশনের পাঁচ অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন**

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জুলাই-অগাস্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হন। অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা দৃষ্টিশক্তিহীন হয়ে পড়েন।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে—২০২৪ সালের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং তাঁদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে উল্লেখ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এর প্ররোচনায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও অন্যান্য কর্মকর্তার সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র আওয়ামী কর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়—আন্দোলনকারীদের দমন করতে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা, যা বাস্তবায়ন করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রধান।

তৃতীয় অভিযোগ আনা হয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় দায়িত্ব ও সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়—৫ আগস্ট রাজধানীর চাঁনখারপুলে আন্দোলনকারী ছয়জনকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ ও প্ররোচনায় অভিযুক্তরা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেন।

পঞ্চম অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে—এক দফা দাবির ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির সময় আশুলিয়ায় ছাত্রদের গুলি করে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামি হত্যার পরিকল্পনা, নির্দেশ ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।