ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকার মাদরাসা থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র উদ্ধার সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো সেই এডিসি সাকলায়েনকে ‘এত ঋণখেলাপি থাকলে তো জনগণ ঋণখেলাপিদের সংসদ বলবে বাংলাদেশ সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে যে বার্তা দিলো জাতিসংঘ শাহজালাল মাজারের দানবাক্স সিলগালা করলো প্রশাসন এমপিরা ঋণখেলাপি নন, ‘ঋণগ্রস্ত’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কড়া জবাব দিলেন রুমিন ‘বাংলাদেশে হামাসের তৎপরতা রয়েছে, নজরদারিতে রেখেছে ইসরায়েল’ পিলারের কাছে মাটি অপসারণে পদ্মা সেতুর কোনো ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী পবিত্র কাবার গিলাফের ক্যালিগ্রাফিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিল্পীর গৌরবময় অবদান

মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা যাবে না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

 

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা’ শেষে সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের নামে যেমন দেশকে বিভাজন করা যাবে না, ইসলামের নামেও দেশকে বিভাজন করা যাবে না। গত ৫৪ বছর ধরে যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং ইসলামকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর রাজনীতি চালাচ্ছে, আমরা সেই রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ব। ইসলাম আমার, মুক্তিযুদ্ধ আমার, জুলাইও আমার। যারা এগুলোকে বিভক্ত করতে চায়, তারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নের সমাধান হয়নি। “৫৪ বছর পরে এখনও আমরা দেখি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ এবং বিপক্ষের রাজনীতি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা আশা করেছিলাম বিভাজনের রাজনীতি দূর হবে। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে সেই বিভাজন আবার ফিরে এসেছে। যা আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদী বামপন্থির মাধ্যমে সবসময় দেশের বিভাজন ও ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে।”

সমাবেশে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১৬ ডিসেম্বরের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, “১৬ ডিসেম্বরকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে উল্লেখ করা ইতিহাস বিকৃতি। বাংলাদেশের বিজয়, মানুষের সংগ্রামকে ভারতের বিজয় হিসেবে দেখানো যায় না। অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবৃতি জারি করতে হবে।”

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এবারের নির্বাচন সংস্কারের নির্বাচন। জনগণ যেন বাংলাদেশের ও সংস্কারের পক্ষে থাকে।”

পদযাত্রা বিকেল ৪টায় রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে শুরু হয়ে কাটাবন মোড়, নীলক্ষেত মোড় ও পলাশীর মোড় হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এতে দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার মাদরাসা থেকে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র উদ্ধার

মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা যাবে না

আপডেট সময় ০৯:২২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা’ শেষে সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের নামে যেমন দেশকে বিভাজন করা যাবে না, ইসলামের নামেও দেশকে বিভাজন করা যাবে না। গত ৫৪ বছর ধরে যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং ইসলামকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর রাজনীতি চালাচ্ছে, আমরা সেই রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ব। ইসলাম আমার, মুক্তিযুদ্ধ আমার, জুলাইও আমার। যারা এগুলোকে বিভক্ত করতে চায়, তারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নের সমাধান হয়নি। “৫৪ বছর পরে এখনও আমরা দেখি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ এবং বিপক্ষের রাজনীতি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা আশা করেছিলাম বিভাজনের রাজনীতি দূর হবে। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে সেই বিভাজন আবার ফিরে এসেছে। যা আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদী বামপন্থির মাধ্যমে সবসময় দেশের বিভাজন ও ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে।”

সমাবেশে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১৬ ডিসেম্বরের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, “১৬ ডিসেম্বরকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে উল্লেখ করা ইতিহাস বিকৃতি। বাংলাদেশের বিজয়, মানুষের সংগ্রামকে ভারতের বিজয় হিসেবে দেখানো যায় না। অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবৃতি জারি করতে হবে।”

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এবারের নির্বাচন সংস্কারের নির্বাচন। জনগণ যেন বাংলাদেশের ও সংস্কারের পক্ষে থাকে।”

পদযাত্রা বিকেল ৪টায় রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে শুরু হয়ে কাটাবন মোড়, নীলক্ষেত মোড় ও পলাশীর মোড় হয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এতে দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।