ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

১৯৭১ সালের যুদ্ধের বিজয় দিবস ভারতীয় বাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রতীক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

এবার পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেন দেশের স্বাধীনতাকামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ। নয় মাস দীর্ঘ এ যুদ্ধের শেষ দিকে যোগ দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এ কারণে তারাও বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। এ উপলক্ষ্যে একটি বিবৃতি দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে তারা লিখেছে, “বিজয় দিবস শুধুমাত্র কোনো একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের একটি প্রতীক।”

এদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয় যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “এটি ছিল সেই বিজয়। যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে নিয়ে গেছে চূড়ান্ত স্বাধীনতার দিকে। এটি এমন বিজয় যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুন করে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে এবং নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে।”

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও বলেছে, “পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পুরো জাতির ওপর যে নৃসংশতা, অত্যাচার এবং নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, এই যুদ্ধ সেটির অবসান ঘটিয়েছে।”

মাত্র ১৩ দিনে বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সহায়তা করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী অসাধারণ সাহস, অনমনীয় দৃঢ়তা এবং সামরিক দক্ষতা দেখিয়ে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সেনাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করেছে। বিশ্বের ইতিহাসে যা অন্যতম বড় আত্মসমর্পণের ঘটনা। এই যুদ্ধ বন্ধুদের প্রতি ভারতের আনুগত্য এবং শত্রুদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— এখন এবং তখন— যখনই ভারত ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ায়, তখন বিজয় অত্যাসন্ন।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

১৯৭১ সালের যুদ্ধের বিজয় দিবস ভারতীয় বাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রতীক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

আপডেট সময় ১০:২৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেন দেশের স্বাধীনতাকামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ। নয় মাস দীর্ঘ এ যুদ্ধের শেষ দিকে যোগ দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এ কারণে তারাও বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। এ উপলক্ষ্যে একটি বিবৃতি দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে তারা লিখেছে, “বিজয় দিবস শুধুমাত্র কোনো একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের একটি প্রতীক।”

এদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয় যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “এটি ছিল সেই বিজয়। যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে নিয়ে গেছে চূড়ান্ত স্বাধীনতার দিকে। এটি এমন বিজয় যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুন করে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে এবং নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে।”

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও বলেছে, “পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পুরো জাতির ওপর যে নৃসংশতা, অত্যাচার এবং নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, এই যুদ্ধ সেটির অবসান ঘটিয়েছে।”

মাত্র ১৩ দিনে বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সহায়তা করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী অসাধারণ সাহস, অনমনীয় দৃঢ়তা এবং সামরিক দক্ষতা দেখিয়ে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সেনাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করেছে। বিশ্বের ইতিহাসে যা অন্যতম বড় আত্মসমর্পণের ঘটনা। এই যুদ্ধ বন্ধুদের প্রতি ভারতের আনুগত্য এবং শত্রুদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— এখন এবং তখন— যখনই ভারত ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ায়, তখন বিজয় অত্যাসন্ন।”