ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাফিনিয়াকে ভুল পজিশনে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি, প্রশ্ন তুললেন রোনালদো দেশের প্রধান রুটে চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- প্রধানমন্ত্রী নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার ইরান আচরণ না বদলালে আবার বোমা হামলা হবে : ট্রাম্প শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ বলা স্লিপ অব টাং: জামায়াত এমপি চুক্তি পছন্দ না হলে তাদের মাথার মাঝখানে বোমা ফেলব: ট্রাম্প স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি: দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা বেনজীর অধ্যায়ের নতুন মোড়, সিডনির বৈঠকের ছবি ঘিরে নতুন বিতর্ক প্রিয় দল হেরে গেলে মন খারাপ? হতাশা কাটানোর ৭ কার্যকর উপায়

পশ্চিমবঙ্গ কোরবানি বন্ধের চেষ্টা হলে লাখো মানুষ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি: হুমায়ুন কবির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের ওপর রাজ্য সরকারের নতুন বিধিনিষেধ জারির তীব্র সমালোচনা করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবির। সরকার যদি কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই নির্দেশিকা জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, তবে লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর নতুন কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশু চিকিৎসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের যৌথ শংসাপত্র ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫০ কঠোরভাবে পালনের জন্য এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি নিয়ে মুখ খোলেন মুর্শিদাবাদের বাবরি মসজিদ নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবির। সামনে প্রকাশ্যে কোরবানি অথবা বলি দেওয়া যাবে নাএমন সরকারি নির্দেশিকার জবাবে বিধায়ক বলেন, ‘আমাদের কোরবানিকে কোনো বলি বলা হয় না, এটা ত্যাগ। রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বা জনসাধারণকে নিয়ন্ত্রণ করতে যে নির্দেশিকাই বের হোক না কেন, বলির সঙ্গে কোরবানিকে যোগ করা অথবা তুলনা করা ঠিক হবে না।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘নির্দেশিকা বেরোলেই সেটা কার্যকর করা খুবই স্পর্শকাতর। কারণ যে কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগে যদি কোনো সরকার আঘাত করে, তাহলে তাকে মূল্য দিতে হবে।পশু কোরবানি প্রকাশ্যে করার কোনো প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকাশ্যে যদি বলির কথাই বলতে হয়, তবে বর্ধমান জেলার জামালপুরেবাবার স্থান’-এ ভেড়া, ছাগলসহ অনেক কিছুর প্রকাশ্যে বলি হয়। সরকারি নির্দেশিকায় সেটার কথা বোঝানো হচ্ছে, নাকি মুসলিমদের বকরি ঈদের কোরবানিকে বোঝানো হচ্ছেআগামী ২৮ তারিখে তার প্রমাণ হয়ে যাবে।

রাজ্য সরকার এত বড় ভুল করবে না আশাপ্রকাশ করে বিতর্কিত এই বিধায়ক বলেন, মুসলিমদের জন্য ১৪৫৬ বছর আগের থেকে যেমন নামাজ বাধ্যতামূলক, তেমনি প্রতিবছর চাঁদ উঠলে সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি দেওয়াও নির্দেশ বা বাধ্যতামূলক। সে জন্যই কেউ বাধা দিতে আসলে মুসলিমরা অমুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চাইবে না। এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার যদি এটাকে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, আমি হুমায়ুন কবির এই সরকারের বিরুদ্ধে লাখো লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাফিনিয়াকে ভুল পজিশনে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি, প্রশ্ন তুললেন রোনালদো

পশ্চিমবঙ্গ কোরবানি বন্ধের চেষ্টা হলে লাখো মানুষ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি: হুমায়ুন কবির

আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের ওপর রাজ্য সরকারের নতুন বিধিনিষেধ জারির তীব্র সমালোচনা করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবির। সরকার যদি কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই নির্দেশিকা জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, তবে লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর নতুন কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশু চিকিৎসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের যৌথ শংসাপত্র ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫০ কঠোরভাবে পালনের জন্য এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি নিয়ে মুখ খোলেন মুর্শিদাবাদের বাবরি মসজিদ নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবির। সামনে প্রকাশ্যে কোরবানি অথবা বলি দেওয়া যাবে নাএমন সরকারি নির্দেশিকার জবাবে বিধায়ক বলেন, ‘আমাদের কোরবানিকে কোনো বলি বলা হয় না, এটা ত্যাগ। রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বা জনসাধারণকে নিয়ন্ত্রণ করতে যে নির্দেশিকাই বের হোক না কেন, বলির সঙ্গে কোরবানিকে যোগ করা অথবা তুলনা করা ঠিক হবে না।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘নির্দেশিকা বেরোলেই সেটা কার্যকর করা খুবই স্পর্শকাতর। কারণ যে কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগে যদি কোনো সরকার আঘাত করে, তাহলে তাকে মূল্য দিতে হবে।পশু কোরবানি প্রকাশ্যে করার কোনো প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকাশ্যে যদি বলির কথাই বলতে হয়, তবে বর্ধমান জেলার জামালপুরেবাবার স্থান’-এ ভেড়া, ছাগলসহ অনেক কিছুর প্রকাশ্যে বলি হয়। সরকারি নির্দেশিকায় সেটার কথা বোঝানো হচ্ছে, নাকি মুসলিমদের বকরি ঈদের কোরবানিকে বোঝানো হচ্ছেআগামী ২৮ তারিখে তার প্রমাণ হয়ে যাবে।

রাজ্য সরকার এত বড় ভুল করবে না আশাপ্রকাশ করে বিতর্কিত এই বিধায়ক বলেন, মুসলিমদের জন্য ১৪৫৬ বছর আগের থেকে যেমন নামাজ বাধ্যতামূলক, তেমনি প্রতিবছর চাঁদ উঠলে সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি দেওয়াও নির্দেশ বা বাধ্যতামূলক। সে জন্যই কেউ বাধা দিতে আসলে মুসলিমরা অমুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চাইবে না। এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার যদি এটাকে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, আমি হুমায়ুন কবির এই সরকারের বিরুদ্ধে লাখো লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করব।