ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!: সমালোচনার জবাবে মাদানী ভারত থেকে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি করলো বাংলাদেশ রাজনীতিতে আর জড়াতে চান না দেব, ফিরছেন অভিনয়ে রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের ইউনূস-আসিফ নজরুল-শফিকুলসহ ১৬ জনের নামে মামলার আবেদন তিস্তা নদী প্রকল্পে চীনের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পদত্যাগ করবেন না মমতা, পশ্চিমবঙ্গে জারি হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসন? ইরান ‘চিরকাল’ হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করবে: সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলা-ইংরেজি রিডিং না পারলে শিক্ষকদের বেতন বন্ধ

হাসিনার গড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আলোচিত যত রায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৫৭ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠন করে। মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পর শুরু হওয়া এই বিচার কার্যক্রমে গত ১৫ বছরে মোট ৫৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে; পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর এবং একজন বিএনপির শীর্ষ নেতা।

ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর নানা বিতর্ক, আইনি চ্যালেঞ্জ ও সাক্ষীর সমস্যার মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম চলেছে। notable রায়গুলোর মধ্যে কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাশেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রভৃতি নেতাদের মৃত্যুদণ্ড উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, প্রথমবারের মতো মামলার পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে আপিলে খালাস পাওয়ার ঘটনা এটিএম আজহারুল ইসলামের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

গত বছরের জুলাইয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা বিচারাধীন এবং অন্তত ৩৭টি মামলার তদন্ত চলছে।

আজ, ১৭ নভেম্বর, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচটি অভিযুক্তি তোলা হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকও পলাতক এবং গ্রেফতারকৃত হিসেবে একজন সাবেক আইজিপি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এর অধীনে পরিচালিত এই বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের Accountability নিশ্চিত করা হচ্ছে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা

হাসিনার গড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আলোচিত যত রায়

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠন করে। মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পর শুরু হওয়া এই বিচার কার্যক্রমে গত ১৫ বছরে মোট ৫৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে; পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর এবং একজন বিএনপির শীর্ষ নেতা।

ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর নানা বিতর্ক, আইনি চ্যালেঞ্জ ও সাক্ষীর সমস্যার মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম চলেছে। notable রায়গুলোর মধ্যে কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাশেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রভৃতি নেতাদের মৃত্যুদণ্ড উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, প্রথমবারের মতো মামলার পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে আপিলে খালাস পাওয়ার ঘটনা এটিএম আজহারুল ইসলামের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

গত বছরের জুলাইয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা বিচারাধীন এবং অন্তত ৩৭টি মামলার তদন্ত চলছে।

আজ, ১৭ নভেম্বর, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচটি অভিযুক্তি তোলা হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকও পলাতক এবং গ্রেফতারকৃত হিসেবে একজন সাবেক আইজিপি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এর অধীনে পরিচালিত এই বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের Accountability নিশ্চিত করা হচ্ছে।