ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ করায় ভারতই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
  • ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতীয় বন্দর ব্যবহার করে পণ্য আমদানি-রফতানি স্থগিতের সিদ্ধান্ত অফিসিয়ালি এখনও জানা যায়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে— এমন মন্তব্য করেছেন বানিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। রোববার (১৮ মে) সচিবালয়ে সমসমায়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে উপদেষ্টা বলেন, অনেকের মতো আমিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি সম্পর্কে আলোচনা হতে দেখেছি। রিপোর্টটি এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পেলে এ ব্যাপারে আরও ভালোভাবে জানা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশের ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এর সাথে জড়িত। ক্ষতি হলে দুই দেশেরই হবে, তবে নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারতই বাংলাদেশে বেশি রফতানি করে থাকে। তিনি আরও বলেন, দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ভারত থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ সুতা আমদানি বন্ধ করার এক মাসের মাথায় এবার বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক পণ্য, ফলমূলসহ অন্তত সাত ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত। ভারত এখন কেবল কলকাতা ও মুম্বাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি করার সুযোগ দিচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ করায় ভারতই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

এবার ভারতীয় বন্দর ব্যবহার করে পণ্য আমদানি-রফতানি স্থগিতের সিদ্ধান্ত অফিসিয়ালি এখনও জানা যায়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে— এমন মন্তব্য করেছেন বানিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। রোববার (১৮ মে) সচিবালয়ে সমসমায়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে উপদেষ্টা বলেন, অনেকের মতো আমিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি সম্পর্কে আলোচনা হতে দেখেছি। রিপোর্টটি এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেগুলো পেলে এ ব্যাপারে আরও ভালোভাবে জানা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশের ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এর সাথে জড়িত। ক্ষতি হলে দুই দেশেরই হবে, তবে নিষেধাজ্ঞার ফলে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারতই বাংলাদেশে বেশি রফতানি করে থাকে। তিনি আরও বলেন, দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ভারত থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ সুতা আমদানি বন্ধ করার এক মাসের মাথায় এবার বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক পণ্য, ফলমূলসহ অন্তত সাত ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত। ভারত এখন কেবল কলকাতা ও মুম্বাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি করার সুযোগ দিচ্ছে।