ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরাতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে ছাত্রদল আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আ.লীগ ব্যবসায়ী ও এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে: রাশেদ খাঁন এআই না জানলে মুসলিমরা পিছিয়ে পড়বে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার নতুন পোশাক আইন করছে ভারত, বিপাকে মুসলিমরা ক্ষমতায় না যেতেই মজলুম থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে জামায়াত: রাশেদ খাঁন জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শিবির নিয়ন্ত্রিত ডাকসু ‘পাকিস্তান প্রেম’ জাহির করছে: ছাত্রদল মসজিদের মাইকে ‘ডাকাত’ ঘোষণা দিয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

এমআরটি লাইন-১ ও ৫ এর খরচ বেড়ে হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, করের হার বাড়া এবং নকশায় পরিবর্তনের কারণে ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণ ব্যয় প্রাথমিক প্রাক্কলনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। সরকারের সাত সদস্যের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

কমিটির হিসাব অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণ ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। আর লাইন-৫-এর ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হতে পারে ৮৮ থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা।

কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া জানান, প্রকল্পের মূল ডিপিপি তৈরির সময়ের তুলনায় নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে এবং বেড়েছে করের হারও। কয়েকটি স্টেশনের নকশায় পরিবর্তনও ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ।

তবে স্বাধীন কমিটির প্রাক্কলনের চেয়েও বেশি ব্যয় ধরেছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড—ডিএমটিসিএল।

সংশোধিত প্রস্তাবে লাইন-১-এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। আর লাইন-৫-এর ব্যয় ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে দুই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদও কয়েক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে ব্যয় কমাতে জাপানের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করতে দ্রুত প্রকল্প দুটির কাজ শুরু করা জরুরি। কারণ বর্তমানে জাপান যে ০.৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে, ভবিষ্যতে একই সুবিধা নাও পাওয়া যেতে পারে।

দুই প্রকল্পে ইতিমধ্যে ৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপের মধ্যেই এখন প্রকল্প দুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ

এমআরটি লাইন-১ ও ৫ এর খরচ বেড়ে হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি

আপডেট সময় ০৫:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, করের হার বাড়া এবং নকশায় পরিবর্তনের কারণে ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণ ব্যয় প্রাথমিক প্রাক্কলনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। সরকারের সাত সদস্যের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

কমিটির হিসাব অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণ ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। আর লাইন-৫-এর ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হতে পারে ৮৮ থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা।

কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া জানান, প্রকল্পের মূল ডিপিপি তৈরির সময়ের তুলনায় নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে এবং বেড়েছে করের হারও। কয়েকটি স্টেশনের নকশায় পরিবর্তনও ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ।

তবে স্বাধীন কমিটির প্রাক্কলনের চেয়েও বেশি ব্যয় ধরেছে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড—ডিএমটিসিএল।

সংশোধিত প্রস্তাবে লাইন-১-এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। আর লাইন-৫-এর ব্যয় ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে দুই প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদও কয়েক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে ব্যয় কমাতে জাপানের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা উন্নত করতে দ্রুত প্রকল্প দুটির কাজ শুরু করা জরুরি। কারণ বর্তমানে জাপান যে ০.৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে, ভবিষ্যতে একই সুবিধা নাও পাওয়া যেতে পারে।

দুই প্রকল্পে ইতিমধ্যে ৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপের মধ্যেই এখন প্রকল্প দুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।