পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা শহরে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সড়কে মহড়া দেওয়া ছাত্রদলের সাবেক নেতা দাবি করা জুবায়ের হোসেন বাপ্পিকে গত সোমবার রাতে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এর প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের একাংশের নেতাকর্মীরা।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত অবরোধ চলাকালে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
অবরোধকারীরা বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, শরিফুল ইসলাম তুহিন, ইমরুল কায়েস সুমনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। এ সময় জুবায়ের বাপ্পিকে থানা থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমানের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন তারা।
রাত আটটার দিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা থানায় গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ও থানার ওসি আশাদুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেন। এরপর অবরোধ স্থগিতের ঘোষণা দেন। তবে নেতারা থানা ফটকের সামনে পথসভায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের ভূমিকায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছি কিন্তু আন্দোলন থেকে সরে যাবো না।’
এ সময় বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমান, বিএনপি নেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল, মাহমুদুর রহমান জুয়েল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান প্রমুখ।
মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকায় হতাশ হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে সড়ক ছেড়ে চলে যাচ্ছি। তবে জনগণের স্বার্থে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, জুবায়ের বাপ্পির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তাকে পাবনা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। সোমবার রাতেই মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















