ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল ‘কাশ্মিরি’ পরিবার ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা বাজেট নিয়ে এবার ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি : জয়নুল আবদীন চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে: নাসীরুদ্দীন ইরানি হামলায় ভয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ইসরায়েলে সরানোর পরিকল্পনা

কর দেওয়া লাগবে না যেসব মোটরসাইকেলে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল করমুক্ত থাকলেও এর বেশি ক্ষমতার বাইকের মালিকদের বছরে নির্ধারিত হারে অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিসিভেদে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

 

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে শহর ও মফস্বলে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক কাজে।

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান মনে করেন, মোটরসাইকেল এখন সড়কে স্বীকৃত ও বহুল ব্যবহৃত যানবাহন। তাই অন্যান্য ব্যক্তিগত বাহনের মতো এর ওপর কর আরোপ অস্বাভাবিক নয়।

 

তাঁর ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেল আয়মুখী কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে এই খাতকে করের আওতায় আনলে করজাল বিস্তৃত হবে এবং বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে।

 

বর্তমানে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়করের বিধান নেই। মালিকদের শুধু নিবন্ধন ফি ও নির্ধারিত সময় পরপর রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ব্যয় প্রায় ৯ হাজার ২৯১ টাকা। এরপর দুই বছর পরপর কিস্তিতে মোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়। অন্যদিকে ১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি প্রায় ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা এবং পরবর্তী সময়ে মোট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

 

আয়কর আইনের বর্তমান বিধান অনুযায়ী, মোটরসাইকেল মালিকরা পরিশোধ করা অগ্রিম আয়কর পরবর্তী আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করার সুযোগ পাবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

কর দেওয়া লাগবে না যেসব মোটরসাইকেলে

আপডেট সময় ১০:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল করমুক্ত থাকলেও এর বেশি ক্ষমতার বাইকের মালিকদের বছরে নির্ধারিত হারে অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিসিভেদে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

 

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে শহর ও মফস্বলে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক কাজে।

 

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান মনে করেন, মোটরসাইকেল এখন সড়কে স্বীকৃত ও বহুল ব্যবহৃত যানবাহন। তাই অন্যান্য ব্যক্তিগত বাহনের মতো এর ওপর কর আরোপ অস্বাভাবিক নয়।

 

তাঁর ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেল আয়মুখী কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে এই খাতকে করের আওতায় আনলে করজাল বিস্তৃত হবে এবং বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে।

 

বর্তমানে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়করের বিধান নেই। মালিকদের শুধু নিবন্ধন ফি ও নির্ধারিত সময় পরপর রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ব্যয় প্রায় ৯ হাজার ২৯১ টাকা। এরপর দুই বছর পরপর কিস্তিতে মোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়। অন্যদিকে ১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি প্রায় ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা এবং পরবর্তী সময়ে মোট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

 

আয়কর আইনের বর্তমান বিধান অনুযায়ী, মোটরসাইকেল মালিকরা পরিশোধ করা অগ্রিম আয়কর পরবর্তী আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করার সুযোগ পাবেন।