আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যখন নানা বিষয়ে মতবিরোধ ও বিতর্ক চলছে, সে সময়ে ৭ দফা দাবিতে ঢাকায় বড় সমাবেশের আয়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামী। সমাবেশ থেকে দলের পক্ষ থেকে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
এদিকে সোহরাওয়ার্দী আয়োজিত আজকের সমাবেশে স্মরণীয় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছে দলটি। এর আগে জামায়াত কখনো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলীয়ভাবে এমন সমাবেশ করেনি। সমাবেশ ঘিরে এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসে সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন। সমাবেশের একদিন আগেই এসে অবস্থান করছেন তারা।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশে নেতাকর্মীদের উপস্থিত দেখা গেছে। অনেক নেতাকর্মী শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন। উদ্যানের মাঠে নেতাকর্মীদের মাগরিব ও এশার নামাজ পড়তেও দেখা গেছে।
সোহরাওয়ার্দী এলাকা ঘুরে দেখা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসা শুরু করেছেন। রাজধানীর শাহবাগ, কাকরাইল, মৎস্যভবন টিএসসি ও দোয়েল চত্বর এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ছোট ছোট গ্রুপ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করতে দেখা যায়। কারো হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও ছিল। আগত অধিকাংশ নেতাকর্মীদের গায়ে পাঞ্জাবি থাকলেও কারো কারো গায়ে সাদা গেঞ্জি পরতে দেখা গেছে। গেঞ্জিতে লেখা রয়েছে, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, চাঁদাবাজের বিপক্ষে হোক’, ‘দাঁড়িপাল্লা ভোট দিন’।
দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বলছেন, শনিবারের (১৯ জুলাই) সমাবেশ হচ্ছে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক মহড়া। নির্বাচনের আগে এ সমাবেশ হবে দেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট। দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটাই দলীয় ইতিহাসের প্রথম সমাবেশ। আগে পুরানা পল্টন, বায়তুল মোকাররম, পল্টন ময়দানসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথম ‘জাতীয় সমাবেশ’ করতে যাচ্ছি আমরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















