ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’ অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে একজন আটক প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ সাগরকন্যা কুয়াকাটায় দেখা মিলছে ঝিনুকের ‘সাদা গালিচা’, মুগ্ধ পর্যটকরা এবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে, বেহেশতের কথা বলে: বিরোধী দলের উদ্দেশ্য এ্যানি অবশেষে নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, কার্যকর জুলাই থেকেই জামায়াতের আমির ও নাহিদ ইসলামের আহ্বানে জাতি সাড়া দিচ্ছে না: রাশেদ খান জঙ্গলে মিলল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ এক দশক পর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন শি জিনপিং, অভ্যর্থনা জানাবেন ট্রাম্প নিজেই ১০ বছরের শিশুকে গণধর্ষণ-হত্যা: প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার তাণ্ডব

‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। দীর্ঘ সময় ছেলের খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। এদিকে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার পোস্টে আইফোনের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। তবে অপ্রতীমকে ঠিক কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’

‘এক আইফোনের জন্য মেরে ফেললি, এ রকম ১০ ফোন মুক্তিপণ চাইতি—দিতাম’

আপডেট সময় ০৫:৩১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। দীর্ঘ সময় ছেলের খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলের এমন মৃত্যু তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। এদিকে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরেন। তার পোস্টে আইফোনের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। তবে অপ্রতীমকে ঠিক কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।