ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ আদানির ইউনিট, দেশে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা আওয়ামী লীগ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিব্রত বোধ করি: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ক্ষোভ: ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ মিটার রিডার, পরে উদ্ধার হুট করে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল, আরও বাড়ল লোডশেডিং চুরির অভিযোগে তিনজনকে হাত-পা বেঁধে পিটুনি, চোখে ঢালা হলো চুনের পানি বাক্‌স্বাধীনতা যেন বাক্ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজেরিয়ার

ইরানের নয়, বরং ইসরাইলের সাহায্যের প্রয়োজন”—লেবাননের স্পিকার নাবিহ বেরির স্পষ্ট বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ১০৮৫ বার পড়া হয়েছে

ইরান-ইসরায়েল উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই লেবাননের অবস্থান নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সরাসরি বক্তব্য দিয়েছেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রভাবশালী শিয়া নেতা নাবিহ বেরি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “ইরান আমাদের সাহায্য চায় না, বরং ইসরাইলই এখন বিশ্বের সমর্থনের জন্য মরিয়া।”

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল এমটিভি লেবানন-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ২০০ শতাংশ নিশ্চিত—লেবানন কোনো যুদ্ধে জড়াবে না। এমন কোনো মনোভাবও দেশের জনগণের মধ্যে নেই। যুদ্ধ শুরু হলে তার খেসারত হবে ভয়াবহ।”

নাবিহ বেরির এমন মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন আঞ্চলিক রাজনীতিতে অনেকেই ধারণা করছিলেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ লেবানন সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবস্থান ও সামরিক উপস্থিতির কারণে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছিলেন, লেবানন হয়তো ইরানের পাশে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধের নতুন মঞ্চে পরিণত হতে পারে। তবে লেবাননের স্পিকারের এই বক্তব্য সেই শঙ্কার অনেকটাই ইতি টানলো।

নাবিহ বেরি বলেন, “ইরান এখন শক্তিশালী অবস্থানে আছে। তাদের লড়াইয়ের জন্য আমাদের প্রয়োজন নেই। বরং এখন ইসরাইলই চারদিকে সমর্থন খুঁজছে। এটা তাদের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ।”

উল্লেখ্য, নাবিহ বেরি লেবাননের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী স্পিকার এবং শিয়া রাজনৈতিক দল আমাল মুভমেন্ট-এর নেতা। হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে তিনি পরিচিত।

তার এমন অবস্থান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সরকার চাচ্ছে না যে, তাদের ভূখণ্ড আবারও নতুন কোনো যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন হোক, বিশেষ করে ২০০৬ সালের ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের ভয়াবহতা মাথায় রেখে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে ইরান

ইরানের নয়, বরং ইসরাইলের সাহায্যের প্রয়োজন”—লেবাননের স্পিকার নাবিহ বেরির স্পষ্ট বার্তা

আপডেট সময় ০৭:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ইরান-ইসরায়েল উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই লেবাননের অবস্থান নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সরাসরি বক্তব্য দিয়েছেন দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রভাবশালী শিয়া নেতা নাবিহ বেরি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “ইরান আমাদের সাহায্য চায় না, বরং ইসরাইলই এখন বিশ্বের সমর্থনের জন্য মরিয়া।”

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল এমটিভি লেবানন-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ২০০ শতাংশ নিশ্চিত—লেবানন কোনো যুদ্ধে জড়াবে না। এমন কোনো মনোভাবও দেশের জনগণের মধ্যে নেই। যুদ্ধ শুরু হলে তার খেসারত হবে ভয়াবহ।”

নাবিহ বেরির এমন মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন আঞ্চলিক রাজনীতিতে অনেকেই ধারণা করছিলেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ লেবানন সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবস্থান ও সামরিক উপস্থিতির কারণে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছিলেন, লেবানন হয়তো ইরানের পাশে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধের নতুন মঞ্চে পরিণত হতে পারে। তবে লেবাননের স্পিকারের এই বক্তব্য সেই শঙ্কার অনেকটাই ইতি টানলো।

নাবিহ বেরি বলেন, “ইরান এখন শক্তিশালী অবস্থানে আছে। তাদের লড়াইয়ের জন্য আমাদের প্রয়োজন নেই। বরং এখন ইসরাইলই চারদিকে সমর্থন খুঁজছে। এটা তাদের দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ।”

উল্লেখ্য, নাবিহ বেরি লেবাননের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী স্পিকার এবং শিয়া রাজনৈতিক দল আমাল মুভমেন্ট-এর নেতা। হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে তিনি পরিচিত।

তার এমন অবস্থান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সরকার চাচ্ছে না যে, তাদের ভূখণ্ড আবারও নতুন কোনো যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন হোক, বিশেষ করে ২০০৬ সালের ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের ভয়াবহতা মাথায় রেখে।