ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাভারে বোমাসদৃশ ৫ বস্তু উদ্ধার, আটক ১ ৯০০ শিক্ষার্থীর শিক্ষক ৬ জন, তবু ৯ বছর ধরে সেরা রাজধানীতে চাঁদা তোলায় বাধা, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করলেন যুবদল নেতা চঞ্চল চাঁদা নিতে বাধা দেওয়ায় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলা নববধূর স্বামীর কাছে মাদক পাঠিয়ে পুলিশকে খবর দিলো সাবেক প্রেমিক সাভারে সন্ত্রাসীরা অবস্থান করা একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: গাইবান্ধায় ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় ‘পর্যালোচনা করছে’ ভারত ‘আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল শিক্ষার্থীরা’

সেনাবাহিনীকে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে: গোলাম মাওলা রনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • ৩৯৬ বার পড়া হয়েছে

এবার গোপালগঞ্জের ঘটনার মাধ্যমে ঢাকায় চালু হতে যাওয়া মানবাধিকার সংগঠনের দ্বারা সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ মিশনে সেনাবাহিনীর সুনাম এবং সুখ্যাতি কলঙ্কিত করার জন্য আমেরিকায় যেসব মানবাধিকার সংগঠন রয়েছে, তার সঙ্গে সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের অফিস চালু হচ্ছে— এই সংগঠনের দ্বারা সেনাবাহিনীকে কলঙ্কিত করা, দায়ী করা এবং প্রশ্নের মুখামুখি করার যে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত রয়েছে, তা এই গোপালগঞ্জের মাধ্যমে হয়তো শুরু হয়ে গেছে।

গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, সেনাবাহিনী এটা কিভাবে মোকাবেলা করবে, বলতে পারি না। কারণ হলো, ইতিমধ্যে দুটি এঙ্গেল থেকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। রোহিঙ্গাদের বা আরাকান আর্মিকে জাতিসংঘের অধীনে মানবিক করিডর দেওয়া হবে। মার্কিন সৈন্যরা বা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী সেটা তদারক করবে। আরাকান আর্মির কাছে বা আরাকানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের কাছে জাতিসংঘের সরঞ্জমাদি যাবে এবং গোপনে আমেরিকার অস্ত্র যাবে— এ রকম একটা অবস্থায় সরাসরি সেনাবাহিনী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

সংগত কারণে আমেরিকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এটা নিয়ে আমেরিকা একেবারে সেনাবাহিনীর প্রতি যারপরনাই বিরক্ত। ফলে এই বাহিনীটিকে যেকোনোভাবে অবদমিত করে দেওয়া। এর একটি কাউন্টার প্যারামিলিটারি গঠন করা বা একটি আলাদা বাহিনী গঠন করার ব্যাপারে ইতিমধ্যে তারা কাজ শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, ভারত চাচ্ছে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী না থাকুক। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর ওপর তাদের একটা চাপ ছিল। বিভিন্ন সময় তাদের যারা তাঁবেদার শাসক বাংলাদেশে এসেছে, প্রায় সবার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে যেটা লজিস্টিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার যে ভারতীয় মাস্টারপ্ল্যান, সেটা বাস্তবায়িত হয়েছে। ভারত মনে করে, তাদের সঙ্গে যদি একটা সামরিক চুক্তি বাংলাদেশের সঙ্গে থাকে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর যে বিশাল ব্যয় হয়, এই ২ লাখ বাহিনীকে লালন-পালন করার কোনো দরকার নেই।

এর ১০ ভাগের এক ভাগ টাকা যদি ভারতকে দেওয়া হয়, তাহলে ভারত বাংলাদেশের যেকোনো প্রয়োজনের সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারে। এই যে চক্রান্ত, এগুলো তো চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সেই চক্রান্তের মধ্যে এই জমানাতে এসে যখন গোপালগঞ্জের একটা ঘটনা ঘটল, এটাকে সহজ-সরল ঘটনা হিসেবে মনে করি না ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিআরইউতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

সেনাবাহিনীকে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে: গোলাম মাওলা রনি

আপডেট সময় ১১:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

এবার গোপালগঞ্জের ঘটনার মাধ্যমে ঢাকায় চালু হতে যাওয়া মানবাধিকার সংগঠনের দ্বারা সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ মিশনে সেনাবাহিনীর সুনাম এবং সুখ্যাতি কলঙ্কিত করার জন্য আমেরিকায় যেসব মানবাধিকার সংগঠন রয়েছে, তার সঙ্গে সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের অফিস চালু হচ্ছে— এই সংগঠনের দ্বারা সেনাবাহিনীকে কলঙ্কিত করা, দায়ী করা এবং প্রশ্নের মুখামুখি করার যে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত রয়েছে, তা এই গোপালগঞ্জের মাধ্যমে হয়তো শুরু হয়ে গেছে।

গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, সেনাবাহিনী এটা কিভাবে মোকাবেলা করবে, বলতে পারি না। কারণ হলো, ইতিমধ্যে দুটি এঙ্গেল থেকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চক্রান্ত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। রোহিঙ্গাদের বা আরাকান আর্মিকে জাতিসংঘের অধীনে মানবিক করিডর দেওয়া হবে। মার্কিন সৈন্যরা বা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী সেটা তদারক করবে। আরাকান আর্মির কাছে বা আরাকানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের কাছে জাতিসংঘের সরঞ্জমাদি যাবে এবং গোপনে আমেরিকার অস্ত্র যাবে— এ রকম একটা অবস্থায় সরাসরি সেনাবাহিনী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

সংগত কারণে আমেরিকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এটা নিয়ে আমেরিকা একেবারে সেনাবাহিনীর প্রতি যারপরনাই বিরক্ত। ফলে এই বাহিনীটিকে যেকোনোভাবে অবদমিত করে দেওয়া। এর একটি কাউন্টার প্যারামিলিটারি গঠন করা বা একটি আলাদা বাহিনী গঠন করার ব্যাপারে ইতিমধ্যে তারা কাজ শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, ভারত চাচ্ছে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী না থাকুক। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর ওপর তাদের একটা চাপ ছিল। বিভিন্ন সময় তাদের যারা তাঁবেদার শাসক বাংলাদেশে এসেছে, প্রায় সবার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে যেটা লজিস্টিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার যে ভারতীয় মাস্টারপ্ল্যান, সেটা বাস্তবায়িত হয়েছে। ভারত মনে করে, তাদের সঙ্গে যদি একটা সামরিক চুক্তি বাংলাদেশের সঙ্গে থাকে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর যে বিশাল ব্যয় হয়, এই ২ লাখ বাহিনীকে লালন-পালন করার কোনো দরকার নেই।

এর ১০ ভাগের এক ভাগ টাকা যদি ভারতকে দেওয়া হয়, তাহলে ভারত বাংলাদেশের যেকোনো প্রয়োজনের সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারে। এই যে চক্রান্ত, এগুলো তো চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সেই চক্রান্তের মধ্যে এই জমানাতে এসে যখন গোপালগঞ্জের একটা ঘটনা ঘটল, এটাকে সহজ-সরল ঘটনা হিসেবে মনে করি না ।