জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গণশুনানিসহ নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
পোস্টে শিশির মনির বলেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে একটি আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এ ক্ষেত্রে গণশুনানিরও বিধান আছে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হলো না কেন?।’
তিনি আরও বলেন, ‘হঠাৎ রাতের বেলা গেজেট দিতে হলো কেন? কে আপনাদের এসব তুঘলকি পরামর্শ দেয়?’
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনে লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়।
এতে ডিজেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা হয়। রোববার রাত ১২টায় দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
প্রসঙ্গত, তেলের দাম বাড়ানোর রেকর্ড অনুযায়ী এবারের দাম বৃদ্ধি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২২ সালের ৬ আগস্ট তৎকালীন সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। পরে জনরোষে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়। আর বর্তমান সরকার প্রথম দফায় গত ১৮ এপ্রিল ডিজেল, অকটেন, পেট্রোলসহ সব ধরনের জ্বালানির দাম ১৫ থেকে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়িয়েছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















