ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পড়তে বা লিখতে জানেন না। অথচ শুনে শুনে পুরো কোরআন হিফজ করেছেন মিশরের ৭১ বছর বয়সী সুকরা সুলাইমা। মনুফিয়া প্রদেশের মিত শাহালা গ্রামের এই নারী ৫০ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থের যাত্রা শুরু করেন।

মিশরীয় সংবাদমাধ্যম কায়রো২৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুকরা জানান, শুরুতে প্রতিদিন মাত্র দুই আয়াত করে মুখস্থ করতেন। এরপর সারা দিন সেগুলো বারবার পড়তেন ও মনে গেঁথে নিতেন। রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শোনা এবং কোরআন শেখার আসরে অংশ নেওয়াও তার হিফজের অন্যতম মাধ্যম ছিলো।

 

দীর্ঘ এই যাত্রায় পারিবারিক দায়িত্বও সামলাতে হয়েছে তাকে। স্বামী মারা যাওয়ার সময় তার ১৬ পারা কোরআন মুখস্থ হয়েছিলো। স্বামীর মৃত্যুর পরও থেমে থাকেননি; ধীরে ধীরে বাকি অংশ মুখস্থ করে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।

 

সম্প্রতি ‘ইয়াওমুস সারদিল কোরআনি’ বা কোরআন উপস্থাপনের একটি আয়োজনে অংশ নিয়ে পুরো কোরআন শুনিয়েছেন সুকরা। তিনি জানান, বর্তমানে প্রতিদিন পাঁচ পারা করে কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন এবং নিয়মিত মুরাজাআতের মাধ্যমে সপ্তাহে একবার পুরো কোরআন শেষ করেন।

সুকরার এই কাহিনি মিশরের সংবাদমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়িও মিত শাহালা গ্রামের প্রবীণ নারীদের কোরআন হিফজের এমন গল্প নিয়ে প্রতিবেদন করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন অপদার্থকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির

পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ!

আপডেট সময় ১১:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পড়তে বা লিখতে জানেন না। অথচ শুনে শুনে পুরো কোরআন হিফজ করেছেন মিশরের ৭১ বছর বয়সী সুকরা সুলাইমা। মনুফিয়া প্রদেশের মিত শাহালা গ্রামের এই নারী ৫০ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থের যাত্রা শুরু করেন।

মিশরীয় সংবাদমাধ্যম কায়রো২৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুকরা জানান, শুরুতে প্রতিদিন মাত্র দুই আয়াত করে মুখস্থ করতেন। এরপর সারা দিন সেগুলো বারবার পড়তেন ও মনে গেঁথে নিতেন। রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শোনা এবং কোরআন শেখার আসরে অংশ নেওয়াও তার হিফজের অন্যতম মাধ্যম ছিলো।

 

দীর্ঘ এই যাত্রায় পারিবারিক দায়িত্বও সামলাতে হয়েছে তাকে। স্বামী মারা যাওয়ার সময় তার ১৬ পারা কোরআন মুখস্থ হয়েছিলো। স্বামীর মৃত্যুর পরও থেমে থাকেননি; ধীরে ধীরে বাকি অংশ মুখস্থ করে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।

 

সম্প্রতি ‘ইয়াওমুস সারদিল কোরআনি’ বা কোরআন উপস্থাপনের একটি আয়োজনে অংশ নিয়ে পুরো কোরআন শুনিয়েছেন সুকরা। তিনি জানান, বর্তমানে প্রতিদিন পাঁচ পারা করে কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন এবং নিয়মিত মুরাজাআতের মাধ্যমে সপ্তাহে একবার পুরো কোরআন শেষ করেন।

সুকরার এই কাহিনি মিশরের সংবাদমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়িও মিত শাহালা গ্রামের প্রবীণ নারীদের কোরআন হিফজের এমন গল্প নিয়ে প্রতিবেদন করেছে।