ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতেই হাদি হত্যা: আবিদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনের মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বিএনপির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, “আমাদের জুলাইয়ের সহযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদির ওপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছে, তা মূলত তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটি পাঁয়তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই স্পিডকে সামনে রেখেই বলতে চাই—এই পৃথিবীতে এখনো এমন কোনো শক্তির জন্ম হয়নি, যারা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে বিন্দুমাত্র ব্যাহত করতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ শরীফ ওসমান হাদি নিঃসন্দেহে আমাদের ভাই এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম স্পিড। যখন আমরা সবাই শোকাহত, ঠিক তখনই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী তার লাশকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে। তারা দেশের স্বনামধন্য গণমাধ্যমে হামলা চালিয়েছে, রাজশাহী ও খুলনায় কূটনৈতিক অফিসে আক্রমণ করেছে, ময়মনসিংহে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এসবই রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র।”
আবিদের অভিযোগ, এই গোষ্ঠী নির্বাচন চায় না। “নির্বাচন চায় না আওয়ামী লীগ এবং যারা দীর্ঘ দুঃশাসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, পরবর্তীতে ভিন্ন লেবাস ধারণ করেছে—তারাও নির্বাচন চায় না,” বলেন তিনি।
ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে ছাত্রদল নেতা বলেন, “আমি আপনাদের ছোট ভাই ও সন্তান হিসেবে অনুরোধ করছি—ডোর টু ডোর গিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছান। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকারের আপোষহীন প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। ধানের শীষের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়; এই বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পাবে।”
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার ভূইয়া দোলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শাহা সুলতান খোকন, এস এম মুনসুর, যুবদলের আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু, যুগ্ম আহ্বায়ক বাহারুল আলম বাবর, সদস্য সচিব আমান উল্লাহ চৌধুরীসহ যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতেই হাদি হত্যা: আবিদ

আপডেট সময় ১১:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনের মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বিএনপির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, “আমাদের জুলাইয়ের সহযোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদির ওপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছে, তা মূলত তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটি পাঁয়তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই স্পিডকে সামনে রেখেই বলতে চাই—এই পৃথিবীতে এখনো এমন কোনো শক্তির জন্ম হয়নি, যারা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে বিন্দুমাত্র ব্যাহত করতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ শরীফ ওসমান হাদি নিঃসন্দেহে আমাদের ভাই এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম স্পিড। যখন আমরা সবাই শোকাহত, ঠিক তখনই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী তার লাশকে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে। তারা দেশের স্বনামধন্য গণমাধ্যমে হামলা চালিয়েছে, রাজশাহী ও খুলনায় কূটনৈতিক অফিসে আক্রমণ করেছে, ময়মনসিংহে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এসবই রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র।”
আবিদের অভিযোগ, এই গোষ্ঠী নির্বাচন চায় না। “নির্বাচন চায় না আওয়ামী লীগ এবং যারা দীর্ঘ দুঃশাসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, পরবর্তীতে ভিন্ন লেবাস ধারণ করেছে—তারাও নির্বাচন চায় না,” বলেন তিনি।
ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে ছাত্রদল নেতা বলেন, “আমি আপনাদের ছোট ভাই ও সন্তান হিসেবে অনুরোধ করছি—ডোর টু ডোর গিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছান। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকারের আপোষহীন প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। ধানের শীষের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়; এই বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পাবে।”
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার ভূইয়া দোলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শাহা সুলতান খোকন, এস এম মুনসুর, যুবদলের আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু, যুগ্ম আহ্বায়ক বাহারুল আলম বাবর, সদস্য সচিব আমান উল্লাহ চৌধুরীসহ যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।