ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোলের ১১ দিনের নবজাতক নিয়ে কারাগারে গেলেন শাহাজাদী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

মানব পাচার আইনে করা এক মামলায় খুলনায় ১১ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে কারাগারে গেছেন শাহাজাদী (৩৬) নামে এক নারী। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতে হাজিরা শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে করে মা-শিশুকে খুলনা জেলা কারাগারে নিয়ে যায়।

এর আগে গত এক সপ্তাহ ধরে খুলনার একটি হাসপাতালে ছিলেন শাহাজাদী। শিশুটি মায়ের সঙ্গেই ছিল। গত ১১ সেপ্টেম্বর রূপসার একটি হাসপাতালে শাহাজাদীর কোলে আসে পঞ্চম কন্যাশিশু। তবে ছেলে সন্তান না হওয়ায় স্বামী সিরাজুল ইসলাম স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে চলে যান এবং আর খোঁজ নেননি।

১৫ সেপ্টেম্বর একই হাসপাতাল থেকে আরেক প্রসূতির নবজাতক ছেলে চুরি হওয়ার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শিশুটিকে শাহাজাদীর মা নার্গিস বেগমের (৫৫) কাছ থেকে উদ্ধার করে। পরে মানব পাচার আইনে মামলা করেন শিশুর বাবা মো. মির্জা সুজন। মামলায় শাহাজাদী ও তার মা দুজনকেই আসামি করা হয়। বর্তমানে নার্গিস বেগম কারাগারে রয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহীন জানান, আসামিরা হাতেনাতে ধরা পড়েছে এবং নবজাতক উদ্ধার হয়েছে। বাদী মানব পাচার আইনে মামলা করেছেন।

তবে বাদী মির্জা সুজন বলেন, সন্তান ফিরে পাওয়ার পর অভিযোগ রাখিনি। শিশুটি শাহাজাদীর বুকের দুধও খেয়েছে। তাই মামলাটি চালিয়ে যেতে চাই না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কোলের ১১ দিনের নবজাতক নিয়ে কারাগারে গেলেন শাহাজাদী

আপডেট সময় ১১:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানব পাচার আইনে করা এক মামলায় খুলনায় ১১ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে কারাগারে গেছেন শাহাজাদী (৩৬) নামে এক নারী। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতে হাজিরা শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে করে মা-শিশুকে খুলনা জেলা কারাগারে নিয়ে যায়।

এর আগে গত এক সপ্তাহ ধরে খুলনার একটি হাসপাতালে ছিলেন শাহাজাদী। শিশুটি মায়ের সঙ্গেই ছিল। গত ১১ সেপ্টেম্বর রূপসার একটি হাসপাতালে শাহাজাদীর কোলে আসে পঞ্চম কন্যাশিশু। তবে ছেলে সন্তান না হওয়ায় স্বামী সিরাজুল ইসলাম স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে চলে যান এবং আর খোঁজ নেননি।

১৫ সেপ্টেম্বর একই হাসপাতাল থেকে আরেক প্রসূতির নবজাতক ছেলে চুরি হওয়ার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শিশুটিকে শাহাজাদীর মা নার্গিস বেগমের (৫৫) কাছ থেকে উদ্ধার করে। পরে মানব পাচার আইনে মামলা করেন শিশুর বাবা মো. মির্জা সুজন। মামলায় শাহাজাদী ও তার মা দুজনকেই আসামি করা হয়। বর্তমানে নার্গিস বেগম কারাগারে রয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহীন জানান, আসামিরা হাতেনাতে ধরা পড়েছে এবং নবজাতক উদ্ধার হয়েছে। বাদী মানব পাচার আইনে মামলা করেছেন।

তবে বাদী মির্জা সুজন বলেন, সন্তান ফিরে পাওয়ার পর অভিযোগ রাখিনি। শিশুটি শাহাজাদীর বুকের দুধও খেয়েছে। তাই মামলাটি চালিয়ে যেতে চাই না।