ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায় প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা মহাসড়কে ‘জয়বাংলা স্লোগান’ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৯ ভোটের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু হলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার: নির্বাচন কমিশন ১৭ বছর ভুয়া লাইসেন্সে ৯০০ ফ্লাইট চালানোর পর ধরা পড়ল পাইলট স্ত্রীর নামে এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর চেষ্টা ইসরাইলের, সতর্ক করলো হামাস পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে জামায়াতের ১১ দলীয় ঐক্য নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ পুলিশের জন্য ১৮২ কোটি টাকার গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

ওয়েট্রেস সেজে মাস্কের ওপর নজরদারি চালিয়েছেন চীনা সামরিক কর্মকর্তা?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় মার্কিন প্রতিনিধিদলের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছিল চীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র ব্লগার জেনিফার জেং। তার দাবি, বিদেশি কূটনীতিক ও প্রযুক্তি খাতের নির্বাহীদের ওপর নজরদারির জন্য ছদ্মবেশী কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে জেং অভিযোগ করেন, বেইজিংয়ের একটি রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ওয়েট্রেস আসলে চীনের উচ্চপর্যায়ের এক সামরিক কর্মকর্তা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মানে সিসিপির আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজের দুই ওয়েট্রেসের (পরিবেশনকর্মীএকটি ছবি শেয়ার করেন জেং। তিনি দাবি করেন, একই নারীদেরসামরিক পোশাকেথাকা ছবিগুলো চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পরবর্তী এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ছবিগুলোর একটিতে মাস্কের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই নারী ওয়েট্রেস আসলে মেজর চেং চেং। তিনি একটি অভিজাত ব্যাটালিয়নের কমান্ডার এবং চীনের সামরিক আনুষ্ঠানিকতার অপারেশন ম্যানুয়াল তৈরিতেও সহায়তা করেছেন বলে জানা যায়।

তৃতীয় এক পোস্টে জেং লেখেন, ‘আমার মনে হয় চেং চেংএর লাল পোশাকের নিচে একটি বন্দুক বা সে ধরনের কিছু ছিল।তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। চীনা সরকারও এসব নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও অভিযোগে বর্ণিত কৌশলগুলো অতীতের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, পশ্চিমা লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে গভীর আন্ডারকভার অপারেটিভ মোতায়েনের নথিভুক্ত ইতিহাস রয়েছে চীনের। অতীতে ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন রাজনীতিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বহুল আলোচিত ফ্যাং ফ্যাং হানিট্র্যাপ অপারেশনও এর অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বারবার সতর্ক করেছে, নিরীহ পরিচয়ের আড়ালে চীনা রাষ্ট্রীয় এজেন্টরা করপোরেট প্রযুক্তি খাত ও কূটনৈতিক মহলে অনুপ্রবেশ করছে। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায়

ওয়েট্রেস সেজে মাস্কের ওপর নজরদারি চালিয়েছেন চীনা সামরিক কর্মকর্তা?

আপডেট সময় ০৩:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় মার্কিন প্রতিনিধিদলের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছিল চীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র ব্লগার জেনিফার জেং। তার দাবি, বিদেশি কূটনীতিক ও প্রযুক্তি খাতের নির্বাহীদের ওপর নজরদারির জন্য ছদ্মবেশী কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে জেং অভিযোগ করেন, বেইজিংয়ের একটি রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ওয়েট্রেস আসলে চীনের উচ্চপর্যায়ের এক সামরিক কর্মকর্তা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মানে সিসিপির আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজের দুই ওয়েট্রেসের (পরিবেশনকর্মীএকটি ছবি শেয়ার করেন জেং। তিনি দাবি করেন, একই নারীদেরসামরিক পোশাকেথাকা ছবিগুলো চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পরবর্তী এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ছবিগুলোর একটিতে মাস্কের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই নারী ওয়েট্রেস আসলে মেজর চেং চেং। তিনি একটি অভিজাত ব্যাটালিয়নের কমান্ডার এবং চীনের সামরিক আনুষ্ঠানিকতার অপারেশন ম্যানুয়াল তৈরিতেও সহায়তা করেছেন বলে জানা যায়।

তৃতীয় এক পোস্টে জেং লেখেন, ‘আমার মনে হয় চেং চেংএর লাল পোশাকের নিচে একটি বন্দুক বা সে ধরনের কিছু ছিল।তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। চীনা সরকারও এসব নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও অভিযোগে বর্ণিত কৌশলগুলো অতীতের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, পশ্চিমা লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে গভীর আন্ডারকভার অপারেটিভ মোতায়েনের নথিভুক্ত ইতিহাস রয়েছে চীনের। অতীতে ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন রাজনীতিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত বহুল আলোচিত ফ্যাং ফ্যাং হানিট্র্যাপ অপারেশনও এর অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বারবার সতর্ক করেছে, নিরীহ পরিচয়ের আড়ালে চীনা রাষ্ট্রীয় এজেন্টরা করপোরেট প্রযুক্তি খাত ও কূটনৈতিক মহলে অনুপ্রবেশ করছে। সূত্র: এনডিটিভি