গতকাল শুক্রবার(২১ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি রোধে বাংলাদেশের প্রস্তুতির বিষয়টি। এবিষয়ে কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়ার জিওলজি ও ওশানোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ড. খালেকুজ্জামান একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঢাকার ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় রিখটার স্কেলে সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। এমনটা ঘটলে রাজধানীতে ৭২ হাজার ভবন ধ্বস এবং ব্যাপক প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত ছোট মাত্রার ভূমিকম্পগুলোকে ইতিবাচক মনে করছেন এই বিশেষজ্ঞ। তার মতে, এর ফলে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের চাপ প্রশমন হয়।
বিজ্ঞাপন
ড. খালেকুজ্জামান বলেন, ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এজন্য নিতে হবে ৪ ধাপের প্রস্তুতি। তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশের ভবন নির্মাণ নীতিমালাকে আরও যুগোপযোগী করা এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের অপেক্ষা করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে দশজনের প্রাণহানি এবং অনেক ভবন ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















