ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাত জেগে ভোট পাহারা দিতে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছাড়া পেলেন কুমিল্লার সেই বিএনপি নেতা ডিভোর্সি নারীদের বিয়ে করা নিয়ে কী বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ? মমতার ঘাঁটি থাকবে নাকি বিজেপির দখলে যাবে পশ্চিমবঙ্গ? পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন ছাত্রদলকর্মী ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, জীবন নিয়ে শঙ্কা একসঙ্গে ১৬ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর পদবঞ্চিতদের কাছে ‘ক্ষমা চাইলেন’ ছাত্রদল সভাপতি চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ-যুবলীগের গোপন বৈঠকে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ১৪ ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে আপত্তি জানালেন মৌসুমী-ওমর সানী

আবেগে পড়ে মনোনয়ন পত্র কিনেছি, আমার ভুল হয়েছে: সাক্কু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৪০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৭০ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, আবেগের বশে মনোনয়নপত্র কিনলেও তিনি তা জমা দেবেন না এবং নির্বাচনেও অংশ নেবেন না। তবে দল যদি হাজী ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেয়, সেক্ষেত্রে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাক্কু।
সংবাদ সম্মেলনে সাক্কু বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি শুনছিলেন হাজী ইয়াছিনের সমর্থকরা বারবার বলছেন আজ-কাল মনোনয়ন আনা হচ্ছে। এসব দেখে তিনি আবেগে পড়ে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। তবে পরে বুঝতে পেরেছেন, মনোনয়নপত্র কেনাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তাই তিনি সেটি জমা দেবেন না এবং নির্বাচনও করবেন না।
তিনি আরও বলেন, হাজী ইয়াছিন সবসময় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়েছেন এবং তার বিপরীত অবস্থানে ছিলেন। সে কারণেই যদি দল হাজী ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করবেন। তবে হাজী ইয়াছিন ছাড়া অন্য যাকে দল মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই তিনি কাজ করবেন বলে জানান।
সাক্কু বলেন, তিনি আগেই বিএনপির মহাসচিবকে জানিয়েছিলেন—তাকে মনোনয়ন দিলে দিতে পারেন, আর না দিলে তার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। মহাসচিব তার কথা রেখেছেন বলেই মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন এবং শুরু থেকেই তিনি তার সঙ্গে কাজ করছেন।
মনোনয়নপত্র কেনার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে সাক্কু বলেন, হাজী ইয়াছিন বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগে গিয়ে নিজে মালা পরছেন এবং অন্যদের মালা পরাচ্ছেন, পাশাপাশি ১২, ১৬ ও ১৮ তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। এতে তার রাগ চরমে ওঠে এবং সে কারণেই তিনি মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, এটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে সাক্কু বলেন, তিনি এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তখন তিনি মহাসচিবকে বলেছিলেন, দল এখন ক্ষমতায় নেই, তাই তাকে মেয়র বানিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়; দল ক্ষমতায় এলে বিষয়টি দেখা যাবে। এই দুই কথা বলেই তিনি ফিরে এসেছেন এবং এ বিষয়ে আর কোনো চিঠি দেবেন না।
উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ১৯ মে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে মনিরুল হক সাক্কুকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাত জেগে ভোট পাহারা দিতে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আবেগে পড়ে মনোনয়ন পত্র কিনেছি, আমার ভুল হয়েছে: সাক্কু

আপডেট সময় ০৭:৪০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, আবেগের বশে মনোনয়নপত্র কিনলেও তিনি তা জমা দেবেন না এবং নির্বাচনেও অংশ নেবেন না। তবে দল যদি হাজী ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেয়, সেক্ষেত্রে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাক্কু।
সংবাদ সম্মেলনে সাক্কু বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি শুনছিলেন হাজী ইয়াছিনের সমর্থকরা বারবার বলছেন আজ-কাল মনোনয়ন আনা হচ্ছে। এসব দেখে তিনি আবেগে পড়ে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। তবে পরে বুঝতে পেরেছেন, মনোনয়নপত্র কেনাটা তার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তাই তিনি সেটি জমা দেবেন না এবং নির্বাচনও করবেন না।
তিনি আরও বলেন, হাজী ইয়াছিন সবসময় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়েছেন এবং তার বিপরীত অবস্থানে ছিলেন। সে কারণেই যদি দল হাজী ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করবেন। তবে হাজী ইয়াছিন ছাড়া অন্য যাকে দল মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই তিনি কাজ করবেন বলে জানান।
সাক্কু বলেন, তিনি আগেই বিএনপির মহাসচিবকে জানিয়েছিলেন—তাকে মনোনয়ন দিলে দিতে পারেন, আর না দিলে তার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। মহাসচিব তার কথা রেখেছেন বলেই মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন এবং শুরু থেকেই তিনি তার সঙ্গে কাজ করছেন।
মনোনয়নপত্র কেনার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে সাক্কু বলেন, হাজী ইয়াছিন বিভিন্ন জায়গায় গণসংযোগে গিয়ে নিজে মালা পরছেন এবং অন্যদের মালা পরাচ্ছেন, পাশাপাশি ১২, ১৬ ও ১৮ তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। এতে তার রাগ চরমে ওঠে এবং সে কারণেই তিনি মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, এটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে সাক্কু বলেন, তিনি এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তখন তিনি মহাসচিবকে বলেছিলেন, দল এখন ক্ষমতায় নেই, তাই তাকে মেয়র বানিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়; দল ক্ষমতায় এলে বিষয়টি দেখা যাবে। এই দুই কথা বলেই তিনি ফিরে এসেছেন এবং এ বিষয়ে আর কোনো চিঠি দেবেন না।
উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ১৯ মে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে মনিরুল হক সাক্কুকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।