ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কারিনা, তোমার মতো সাহসী মানুষের দরকার ছিল বাংলাদেশে: তাসনিম জারা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পর্ক আমাদের জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে: ফজলুর রহমান আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন কারিনা: আসিফ মাহমুদ বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর একই ভুল করলে বিএনপির অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে: ফজলুর রহমান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি, তাই রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন: কায়সার হামিদ

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কারিনা, তোমার মতো সাহসী মানুষের দরকার ছিল বাংলাদেশে: তাসনিম জারা

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।