ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।