মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে আবারও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর—আইআরজিসির হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে চলমান সংঘাতে ইরানি হামলায় নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। আহত হয়েছেন প্রায় ৫০০ সেনাসদস্য।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পাঁচ মাস পরও ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে। বরং হামলাগুলো আরও নিখুঁত ও কার্যকর হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স প্রায়োরিটিজের সামরিক বিশ্লেষক জেনিফার কাভানা বলেন, ইরান প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করেছে। তার দাবি, রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা সহায়তায় ইরানের হামলার নির্ভুলতা আরও বেড়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা এখনো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করলেও বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। তাদের ভাষ্য, ইরানের তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে ওয়াশিংটনের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়াচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























