ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিলো সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের স্বার্থে জোট বাঁধছে জামায়াত-আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন রবিবার সংসদ অভিমুখে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা এবার পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মামলার পেঁচে মমতা এখনই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস চাঁদাবাজি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবার ফিরে এসেছে: গোলাম পরওয়ার রয়েল রিসোর্টে আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র সফল হয়নি: মামুনুল হক নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগে মৃত বেড়ে ৬৭৫: নিখোঁজ ৩২০ বিদেশি; উদ্ধার ২৪৯৮ ‘চোখের সামনে গোটা গ্রাম উধাও’

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছে। খবর বিবিসির।  যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ চুক্তিটিকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য বড় ধরনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনও প্রকাশ করা হয়নি। 

জ্বালানি বিভাগ আরও জানায়, সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিভাগটির বিবৃতিতে বলা হয়, এই দুটি চুক্তি একসঙ্গে কয়েক দশকব্যাপী বহু বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধসহ একাধিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

সৌদি সরকারও এক বিবৃতিতে জানান, এই চুক্তি দুই দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতারই সম্প্রসারণ। পাশাপাশি তারা উল্লেখ করেন, গত বছরের নভেম্বরে সৌদি যুবরাজের ওয়াশিংটন সফরের পর এই চুক্তি হয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ভবিষ্যতে এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও তা পারমাণবিক বোমা তৈরিতেও ব্যবহার করা সম্ভব।

চুক্তির ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এছাড়া, দুই দিন আগে ইয়েমেনভিত্তিক ইরানসমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট সময় ১১:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছে। খবর বিবিসির।  যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ চুক্তিটিকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য বড় ধরনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনও প্রকাশ করা হয়নি। 

জ্বালানি বিভাগ আরও জানায়, সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিভাগটির বিবৃতিতে বলা হয়, এই দুটি চুক্তি একসঙ্গে কয়েক দশকব্যাপী বহু বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধসহ একাধিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

সৌদি সরকারও এক বিবৃতিতে জানান, এই চুক্তি দুই দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতারই সম্প্রসারণ। পাশাপাশি তারা উল্লেখ করেন, গত বছরের নভেম্বরে সৌদি যুবরাজের ওয়াশিংটন সফরের পর এই চুক্তি হয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ভবিষ্যতে এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হলেও তা পারমাণবিক বোমা তৈরিতেও ব্যবহার করা সম্ভব।

চুক্তির ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এছাড়া, দুই দিন আগে ইয়েমেনভিত্তিক ইরানসমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করে।