ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাত জেগে ভোট পাহারা দিতে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছাড়া পেলেন কুমিল্লার সেই বিএনপি নেতা ডিভোর্সি নারীদের বিয়ে করা নিয়ে কী বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ? মমতার ঘাঁটি থাকবে নাকি বিজেপির দখলে যাবে পশ্চিমবঙ্গ? পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে অঝোরে কাঁদলেন ছাত্রদলকর্মী ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, জীবন নিয়ে শঙ্কা একসঙ্গে ১৬ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর পদবঞ্চিতদের কাছে ‘ক্ষমা চাইলেন’ ছাত্রদল সভাপতি চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ-যুবলীগের গোপন বৈঠকে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ১৪ ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে আপত্তি জানালেন মৌসুমী-ওমর সানী

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস বার্তায় কওমি মাদরাসাকে হেয় করায় নিন্দা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী ও সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেছেন, সম্প্রতি জাতীয় পর্যায়ের দুটি গণমাধ্যমের কার্যালয়ে সংঘটিত হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বার্তায় নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় উল্লেখ করতে গিয়ে শুধুমাত্র কওমি মাদরাসা শিক্ষার পরিচয় আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা দুঃখজনক। অথচ একই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর আটজনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা শিক্ষাগত পরিচয় সেখানে উল্লেখ করা হয়নি।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ছাত্র জমিয়ত নেতারা বলেন, এভাবে একতরফাভাবে কোনো অপরাধীর সঙ্গে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে মুখ্য করে তোলা কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনই নয়, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কওমি মাদরাসা শিক্ষাকে সামাজিকভাবে হেয় করার একটি সুপ্ত প্রয়াস বলেই প্রতীয়মান হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যে এমন পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গভীর উদ্বেগজনক।
তারা আরও বলেন, অপরাধের দায় অপরাধীর ব্যক্তিগত—তা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দলীয় পরিচয় কিংবা সামাজিক শ্রেণির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়সংগত নয়। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তির অপরাধের দায়ে কোনো শ্রেণি বা শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করার অপচেষ্টা থেকে রাষ্ট্রকে বিরত থাকতে হবে এবং সহিংসতায় জড়িত নয়—এমন নিরীহ শিক্ষার্থীদের ঢালাওভাবে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য চরম অপেশাদারিত্ব ও গর্হিত আচরণের শামিল। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রেস বার্তার ব্যাখ্যা ও সংশোধনের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দায়িত্বহীন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড পরিহারের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়াও ছাত্র জমিয়ত নেতারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলের ন্যায় বাকস্বাধীনতা দমনের যে প্রবণতা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গ্রহণ করতে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুধুমাত্র সমালোচনার অজুহাতে কোনো ধরনের ওয়ারেন্ট ছাড়াই আলেমদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নতুন করে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটাতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাত জেগে ভোট পাহারা দিতে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস বার্তায় কওমি মাদরাসাকে হেয় করায় নিন্দা

আপডেট সময় ০৯:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী ও সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেছেন, সম্প্রতি জাতীয় পর্যায়ের দুটি গণমাধ্যমের কার্যালয়ে সংঘটিত হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বার্তায় নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় উল্লেখ করতে গিয়ে শুধুমাত্র কওমি মাদরাসা শিক্ষার পরিচয় আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা দুঃখজনক। অথচ একই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর আটজনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা শিক্ষাগত পরিচয় সেখানে উল্লেখ করা হয়নি।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ছাত্র জমিয়ত নেতারা বলেন, এভাবে একতরফাভাবে কোনো অপরাধীর সঙ্গে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে মুখ্য করে তোলা কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনই নয়, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কওমি মাদরাসা শিক্ষাকে সামাজিকভাবে হেয় করার একটি সুপ্ত প্রয়াস বলেই প্রতীয়মান হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যে এমন পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গভীর উদ্বেগজনক।
তারা আরও বলেন, অপরাধের দায় অপরাধীর ব্যক্তিগত—তা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দলীয় পরিচয় কিংবা সামাজিক শ্রেণির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়সংগত নয়। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তির অপরাধের দায়ে কোনো শ্রেণি বা শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করার অপচেষ্টা থেকে রাষ্ট্রকে বিরত থাকতে হবে এবং সহিংসতায় জড়িত নয়—এমন নিরীহ শিক্ষার্থীদের ঢালাওভাবে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য চরম অপেশাদারিত্ব ও গর্হিত আচরণের শামিল। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রেস বার্তার ব্যাখ্যা ও সংশোধনের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দায়িত্বহীন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড পরিহারের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়াও ছাত্র জমিয়ত নেতারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলের ন্যায় বাকস্বাধীনতা দমনের যে প্রবণতা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গ্রহণ করতে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শুধুমাত্র সমালোচনার অজুহাতে কোনো ধরনের ওয়ারেন্ট ছাড়াই আলেমদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নতুন করে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটাতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ