ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি বিষাক্ত শুঁয়োপোকার আতঙ্কে জার্মানির একাধিক পার্ক বন্ধ স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাবনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, অভিযুক্তদের পাল্টা দাবি আত্মীয়তার জেরে মীমাংসা চেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ৪৩৫ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালীবাড়ি মহল্লায় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ২০ হাজার এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আশরাফুল আলম আরিফের স্ত্রী মাকসুদা পারভীন মুন গত মঙ্গলবার (২০ মে) ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন: ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোতালেব হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিমুদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন, আকতার হোসেন এবং সরপু আলী। তারা সবাই একই পৌরসভার বাসিন্দা।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত ৫ মে আরিফকে হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, যা ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন সরাসরি আরিফের দোকানে গিয়ে গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করেন মাকসুদা পারভীন।

পরে গত ১৯ মে পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আর তাতে সাড়া না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মানিক হোসেন। তিনি দাবি করেন, আরিফ তার চাচা এবং পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৌরসভা থেকে কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। আপস-মীমাংসার জন্য কিছু বাজার করে দেওয়ার অনুরোধে আরিফ তাকে ১০ হাজার টাকা দেন, সেটিকেই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

মানিকের ভাষায়, “এটি বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে সাজানো নাটক। আমি সবকিছু রফিকুল ও মোতালেব ভাইকে জানিয়েছি।”
পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের

পাবনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, অভিযুক্তদের পাল্টা দাবি আত্মীয়তার জেরে মীমাংসা চেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালীবাড়ি মহল্লায় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ২০ হাজার এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আশরাফুল আলম আরিফের স্ত্রী মাকসুদা পারভীন মুন গত মঙ্গলবার (২০ মে) ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন: ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোতালেব হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিমুদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন, আকতার হোসেন এবং সরপু আলী। তারা সবাই একই পৌরসভার বাসিন্দা।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত ৫ মে আরিফকে হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, যা ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন সরাসরি আরিফের দোকানে গিয়ে গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করেন মাকসুদা পারভীন।

পরে গত ১৯ মে পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আর তাতে সাড়া না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মানিক হোসেন। তিনি দাবি করেন, আরিফ তার চাচা এবং পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৌরসভা থেকে কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। আপস-মীমাংসার জন্য কিছু বাজার করে দেওয়ার অনুরোধে আরিফ তাকে ১০ হাজার টাকা দেন, সেটিকেই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

মানিকের ভাষায়, “এটি বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে সাজানো নাটক। আমি সবকিছু রফিকুল ও মোতালেব ভাইকে জানিয়েছি।”
পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।