ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটক করল ইরান সমকামী প্রেমের টানে মাগুরায় খ্রিস্টান তরুণী, করতে চায় বিয়ে বিমানের টিকিটের ছবি পাঠিয়ে বলেছিলেন প্রস্তুত থাকতে, তিন ঘণ্টা পরই এলো মৃত্যুর খবর সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করবেন: ইসলামী আন্দোলন ইসরায়েলের পণ্যে নিষেধাজ্ঞায় একজোট যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সসহ ১২ দেশ কোমরে শিকল-অঝোরে কাঁদছিল কিশোরী, সিলেটের ভিডিও ছড়িয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি  মাত্র চার মাসে কুরআনের হাফেজ ৮ বছরের সাজিদ বাংলাদেশ নিয়ে সতর্ক করল ইসরায়েল রূপপুর প্রকল্পে গভীর রাতে আগুন, ৪৩ ঘণ্টাতেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট মালয়েশিয়ায় কারখানা থেকে ১৫৫ বাংলাদেশিসহ ২৩৪ জন আটক

পাবনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, অভিযুক্তদের পাল্টা দাবি আত্মীয়তার জেরে মীমাংসা চেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ৪৯৫ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালীবাড়ি মহল্লায় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ২০ হাজার এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আশরাফুল আলম আরিফের স্ত্রী মাকসুদা পারভীন মুন গত মঙ্গলবার (২০ মে) ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন: ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোতালেব হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিমুদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন, আকতার হোসেন এবং সরপু আলী। তারা সবাই একই পৌরসভার বাসিন্দা।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত ৫ মে আরিফকে হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, যা ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন সরাসরি আরিফের দোকানে গিয়ে গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করেন মাকসুদা পারভীন।

পরে গত ১৯ মে পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আর তাতে সাড়া না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মানিক হোসেন। তিনি দাবি করেন, আরিফ তার চাচা এবং পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৌরসভা থেকে কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। আপস-মীমাংসার জন্য কিছু বাজার করে দেওয়ার অনুরোধে আরিফ তাকে ১০ হাজার টাকা দেন, সেটিকেই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

মানিকের ভাষায়, “এটি বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে সাজানো নাটক। আমি সবকিছু রফিকুল ও মোতালেব ভাইকে জানিয়েছি।”
পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন আটক করল ইরান

পাবনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, অভিযুক্তদের পাল্টা দাবি আত্মীয়তার জেরে মীমাংসা চেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালীবাড়ি মহল্লায় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির ছয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ২০ হাজার এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আশরাফুল আলম আরিফের স্ত্রী মাকসুদা পারভীন মুন গত মঙ্গলবার (২০ মে) ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন: ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোতালেব হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলিমুদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন, আকতার হোসেন এবং সরপু আলী। তারা সবাই একই পৌরসভার বাসিন্দা।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। গত ৫ মে আরিফকে হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেন, যা ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মানিক হোসেন সরাসরি আরিফের দোকানে গিয়ে গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে দাবি করেন মাকসুদা পারভীন।

পরে গত ১৯ মে পুনরায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়, আর তাতে সাড়া না দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মানিক হোসেন। তিনি দাবি করেন, আরিফ তার চাচা এবং পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পৌরসভা থেকে কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। আপস-মীমাংসার জন্য কিছু বাজার করে দেওয়ার অনুরোধে আরিফ তাকে ১০ হাজার টাকা দেন, সেটিকেই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

মানিকের ভাষায়, “এটি বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে সাজানো নাটক। আমি সবকিছু রফিকুল ও মোতালেব ভাইকে জানিয়েছি।”
পুলিশ বলছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।