ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল নওগাঁ সীমান্তে গভীর রাতে ১৭ জনকে পুশইন, মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ সাতক্ষীরায় আ.লীগ-বিএনপি-জামায়াত’র ত্রিমুখী সংঘর্ষ হাদি হত্যা মামলা: বাদী নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বোন মাসুমা সাহারায় তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ জনের, বিকল ট্রাকে আটকা ছিলেন যাত্রীরা দ্রুত হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল ৩ কোটি টাকার ‘ডিল’ অভিযোগের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ‘রাজপথ ছাড়ব না’, নোয়াখালী সমাবেশে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে যুবলীগের বিক্ষোভ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শনাক্তে পুলিশের অভিযান

হাদি হত্যা মামলা: বাদী নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বোন মাসুমা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের কেন শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী, এমন প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। তার অভিযোগ, হাদি হত্যা মামলার বাদী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমি আমার ভাই হাদির মামলার বাদী নিয়ে কিছুই বলত চাচ্ছিলাম না। কারণ, এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধু আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশপাশে যারা থাকে তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারে।

 

তবে দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে, বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করছেন বলে জানান তিনি।

 

শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনেই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলেন জানিয়ে বলেন, ‘ভাইয়ের গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ শোনা মাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে (হাদি) ছেড়ে এক মিনিটের জন্য নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।’

 

তার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিল কেন। আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দেবে কেন?

 

এ নিয়ে তিনি বহুবার প্রশ্ন করেছেন জানিয়ে বলেন, ‘তখন আমাকে বুঝানো হয়, যে ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমারা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।’

 

তিনি মনে করেন, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি মামলায় বাদীর ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদীপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে।

 

তখনকার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি বলেন, ‘ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো, ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতে। ওমরের গায়ের পোশাকে—এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল, সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে, সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।’

 

তার দাবি, মামলার বাদীর ব্যাপারে কার কাছে বলছে, কে বলছে যে আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদে হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে।

 

তিনি বলেন, ‘জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনো লোক নাই, যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।’

 

একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও পাঁচ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন বাংলাদেশি টাকায় ছিল ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরত, তার মূল্য তখনই ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করত, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।’

 

শরিফ ওসমান হাদি যখন এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন, তখন অনেকেই তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু পারিবারিকভাবে কেউ এতে সম্মতি জানাননি।

 

ওসমান হাদিকে দেশের বাইরে নেয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয় জানিয়ে হাদির বোন বলেন, ‘ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলে ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে। ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লাখ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে। আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিকে আমরা হারাতে দেব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গনি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখব না।’

 

তার দাবি, ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পর ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় সরকার। সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। পরে ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সঙ্গে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।

 

মাসুমা হাদি আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

হাদি হত্যা মামলা: বাদী নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বোন মাসুমা

আপডেট সময় ০৮:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের কেন শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী, এমন প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। তার অভিযোগ, হাদি হত্যা মামলার বাদী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমি আমার ভাই হাদির মামলার বাদী নিয়ে কিছুই বলত চাচ্ছিলাম না। কারণ, এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধু আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশপাশে যারা থাকে তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারে।

 

তবে দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে, বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করছেন বলে জানান তিনি।

 

শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনেই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলেন জানিয়ে বলেন, ‘ভাইয়ের গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ শোনা মাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে (হাদি) ছেড়ে এক মিনিটের জন্য নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।’

 

তার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিল কেন। আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দেবে কেন?

 

এ নিয়ে তিনি বহুবার প্রশ্ন করেছেন জানিয়ে বলেন, ‘তখন আমাকে বুঝানো হয়, যে ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমারা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।’

 

তিনি মনে করেন, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি মামলায় বাদীর ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদীপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে।

 

তখনকার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি বলেন, ‘ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো, ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতে। ওমরের গায়ের পোশাকে—এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল, সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে, সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।’

 

তার দাবি, মামলার বাদীর ব্যাপারে কার কাছে বলছে, কে বলছে যে আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদে হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে।

 

তিনি বলেন, ‘জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনো লোক নাই, যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।’

 

একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও পাঁচ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন বাংলাদেশি টাকায় ছিল ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরত, তার মূল্য তখনই ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করত, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।’

 

শরিফ ওসমান হাদি যখন এভারকেয়ারে চিকিৎসাধীন, তখন অনেকেই তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছিল বলে জানান তিনি। কিন্তু পারিবারিকভাবে কেউ এতে সম্মতি জানাননি।

 

ওসমান হাদিকে দেশের বাইরে নেয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয় জানিয়ে হাদির বোন বলেন, ‘ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলে ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে। ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লাখ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে। আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিকে আমরা হারাতে দেব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গনি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখব না।’

 

তার দাবি, ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পর ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় সরকার। সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। পরে ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সঙ্গে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।

 

মাসুমা হাদি আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন।’