ঢাকা , রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলায় আলোচিত চিকিৎসক রাফসান জানি আটক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলায় যশোরের আলোচিত চিকিৎসক ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে আটক করেছে মণিরামপুর থানার পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে (২৩ মে) যশোর উপশহর আবাসিক এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওবাইদুর রহমান। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার পর থেকেই ডা. রাফসান জানি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

 

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে লেখাপড়া করানো ও নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে শ্যালিকাকে যশোরে নিয়ে আসেন ডা. রাফসান জানি। সেখানে অবস্থানকালে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে।

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরে শ্যালিকাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে রাখা হয়। বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

 

এদিকে ডা. রাফসান জানিকে ঘিরে এর আগেও নানা অভিযোগ উঠে আসে। তার বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিক পৃথক মামলাও করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণ মামলায় আলোচিত চিকিৎসক রাফসান জানি আটক

আপডেট সময় ১০:১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলায় যশোরের আলোচিত চিকিৎসক ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে আটক করেছে মণিরামপুর থানার পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে (২৩ মে) যশোর উপশহর আবাসিক এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওবাইদুর রহমান। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার পর থেকেই ডা. রাফসান জানি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

 

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে লেখাপড়া করানো ও নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে শ্যালিকাকে যশোরে নিয়ে আসেন ডা. রাফসান জানি। সেখানে অবস্থানকালে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে।

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরে শ্যালিকাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মণিরামপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে রাখা হয়। বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

 

এদিকে ডা. রাফসান জানিকে ঘিরে এর আগেও নানা অভিযোগ উঠে আসে। তার বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিক পৃথক মামলাও করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।