ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণে, প্রাণ গেল মামা-ভাগনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় একটি বাসায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে দগ্ধ হন মো. শাহীন, তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার এবং ৮ বছর বয়সী ভাগনি হাফছা।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের পর গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আইসিইউতে মৃত্যু হয় শিশু হাফছার। এর প্রায় ছয় ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে একই হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তার মামা শাহীন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। অন্যদিকে শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তারের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণে, প্রাণ গেল মামা-ভাগনির

আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় একটি বাসায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে দগ্ধ হন মো. শাহীন, তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার এবং ৮ বছর বয়সী ভাগনি হাফছা।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বিস্ফোরণের পর গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আইসিইউতে মৃত্যু হয় শিশু হাফছার। এর প্রায় ছয় ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে একই হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তার মামা শাহীন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। অন্যদিকে শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তারের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।