ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারে প্রবেশ করল বাংলাদেশ ৩৩ মাস পর ভারতীয় কারাগার থেকে দেশে ফিরলেন ৩ বাংলাদেশি সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন বিএনপি নেতা বাচ্চু রাজধানীর ৮ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ উনি যে জেলায় যান সে জেলাতেই বিয়ে করেন: সাবেক ওসির ষষ্ঠ স্ত্রী সরকারি জমিতে গণঅধিকারের অফিস নির্মাণে বাধা, সংঘর্ষে ১৫ জন আহত রাজধানীর ৪ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বাদ যায়নি থানা এলাকাও বাংলাদেশসহ প্রত্যেককে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবিতে ইনফান্তিনোকে চিঠি ইয়েমেন যুদ্ধে ‘ধরাশায়ী’, ৪ দেশের কাছে ‘ভাড়ায়’ সৈন্য চায় সৌদি

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৩২ দেশে বাংলাদেশি ওষুধের দাপট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪২৩ বার পড়া হয়েছে

একসময় দেশের ওষুধের চাহিদা মেটাতে বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হতো। সেই নির্ভরতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠে এখন দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশই পূরণ করছে স্থানীয় ওষুধশিল্প। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের ওষুধের উপস্থিতি। গত এক দশকে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৬৭ শতাংশ। ৮৯ মিলিয়ন ডলার থেকে রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৮ মিলিয়ন ডলারে। বর্তমানে দেশের ওষুধের অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার।

স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের ১৩২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে এক হাজার ৪০০ জেনেরিক ওষুধ এবং ৪৫ হাজার ব্র্যান্ড রয়েছে। ১৯৯৩ সালে জেনেরিক ওষুধের সংখ্যা ছিল ৭০০ এবং ব্র্যান্ড ছিল ২০ হাজারের কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, ২০২৫২৬ অর্থবছরে দেশের ওষুধ রপ্তানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়ে ২৩৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আগের অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২১৩ মিলিয়ন ডলার। বৈশ্বিক বাণিজ্যে নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও এ প্রবৃদ্ধিকে দেশের ওষুধশিল্পের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে গত অর্থবছরে ৩০ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। এরপর মিয়ানমারে ৩০ মিলিয়ন, ফিলিপাইনে ১৯ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ মিলিয়ন, কম্বোডিয়ায় ১২ মিলিয়ন, আফগানিস্তানে ১২ মিলিয়ন, কেনিয়ায় ১১ মিলিয়ন, পাকিস্তানে ১০ মিলিয়ন, চিলিতে ৯ মিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্যে চার মিলিয়ন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।

এদিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক ও আইন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম বলেন, ‘একসময় অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বাতিল করে এবং বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও রপ্তানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৩ সালে মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে রেখে বাকি ওষুধের মূল্য নির্ধারণ কম্পানিগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে একদিনে সাত এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৩২ দেশে বাংলাদেশি ওষুধের দাপট

আপডেট সময় ১০:১১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

একসময় দেশের ওষুধের চাহিদা মেটাতে বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হতো। সেই নির্ভরতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠে এখন দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশই পূরণ করছে স্থানীয় ওষুধশিল্প। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের ওষুধের উপস্থিতি। গত এক দশকে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১৬৭ শতাংশ। ৮৯ মিলিয়ন ডলার থেকে রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৮ মিলিয়ন ডলারে। বর্তমানে দেশের ওষুধের অভ্যন্তরীণ বাজারের আকার প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার।

স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের ১৩২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে এক হাজার ৪০০ জেনেরিক ওষুধ এবং ৪৫ হাজার ব্র্যান্ড রয়েছে। ১৯৯৩ সালে জেনেরিক ওষুধের সংখ্যা ছিল ৭০০ এবং ব্র্যান্ড ছিল ২০ হাজারের কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, ২০২৫২৬ অর্থবছরে দেশের ওষুধ রপ্তানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়ে ২৩৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আগের অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২১৩ মিলিয়ন ডলার। বৈশ্বিক বাণিজ্যে নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও এ প্রবৃদ্ধিকে দেশের ওষুধশিল্পের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্য শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে গত অর্থবছরে ৩০ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। এরপর মিয়ানমারে ৩০ মিলিয়ন, ফিলিপাইনে ১৯ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ মিলিয়ন, কম্বোডিয়ায় ১২ মিলিয়ন, আফগানিস্তানে ১২ মিলিয়ন, কেনিয়ায় ১১ মিলিয়ন, পাকিস্তানে ১০ মিলিয়ন, চিলিতে ৯ মিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্যে চার মিলিয়ন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।

এদিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক ও আইন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম বলেন, ‘একসময় অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বাতিল করে এবং বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও রপ্তানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৩ সালে মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে রেখে বাকি ওষুধের মূল্য নির্ধারণ কম্পানিগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।