ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালাহউদ্দিন সাহেব সব মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে দায়িত্বশীল, শুধু নিজেরটা পারেন না: জামায়াত আমির ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক সময় পার করছে ফিলিস্তিনিরা: জাতিসংঘে মাহমুদ আব্বাস গোপালগঞ্জে টিউশনি থেকে ফেরার পথে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা মধ্যরাতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে বাংলায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও দ্রুত কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী  অমিত ‘তদন্তের আওতায় আনা হোক মোদিকে’—ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের জাতিসংঘে কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে বক্তব্য দিলেন যে মুসলিম নেতা জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হলেন জাইমা রহমান বিএনপির প্রার্থীদের হারাতে ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ সংগঠনের ঐক্য: প্রতিমন্ত্রী অমিত ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম

জাতিসংঘে কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে বক্তব্য দিলেন যে মুসলিম নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে ভাষণ দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরাইলি বর্বরতা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চরম নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি ইসলামের মানবতার বাণী তুলে ধরেন। সরকারিনীতি পড়ুন

 

ভাষণে গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরে এরদোয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ও জাতিসংঘ গাজার গণহত্যা থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে নারী, শিশু ও নিরীহ মানুষদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে।

 

এ সময় তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা আল-মায়িদাহর ৩২ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করে বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—‘যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো মানুষকে হত্যা করল, সে যেন গোটা মানবজাতিকেই হত্যা করল; আর যে একটি প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।’

 

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, পবিত্র কোরআনের এই অমর বাণী কেবল মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য একটি চূড়ান্ত শিক্ষা। অথচ বিশ্বসম্প্রদায় ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুকে স্বাভাবিক ঘটনায় রূপ দিচ্ছে।

 

তিনি আরো উল্লেখ করেন, গাজা আজ কেবল একটি যুদ্ধক্ষেত্র নয়, বরং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধ্বংসস্তূপ ও কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত হয়েছে। মানবতার মর্যাদা রক্ষা এবং অবিলম্বে রক্তপাত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে অবিলম্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা ফোরামের প্রাসঙ্গিকতা থাকবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালাহউদ্দিন সাহেব সব মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে দায়িত্বশীল, শুধু নিজেরটা পারেন না: জামায়াত আমির

জাতিসংঘে কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে বক্তব্য দিলেন যে মুসলিম নেতা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে ভাষণ দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরাইলি বর্বরতা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চরম নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি ইসলামের মানবতার বাণী তুলে ধরেন। সরকারিনীতি পড়ুন

 

ভাষণে গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরে এরদোয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ও জাতিসংঘ গাজার গণহত্যা থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে নারী, শিশু ও নিরীহ মানুষদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে।

 

এ সময় তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা আল-মায়িদাহর ৩২ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করে বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—‘যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো মানুষকে হত্যা করল, সে যেন গোটা মানবজাতিকেই হত্যা করল; আর যে একটি প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।’

 

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, পবিত্র কোরআনের এই অমর বাণী কেবল মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য একটি চূড়ান্ত শিক্ষা। অথচ বিশ্বসম্প্রদায় ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুকে স্বাভাবিক ঘটনায় রূপ দিচ্ছে।

 

তিনি আরো উল্লেখ করেন, গাজা আজ কেবল একটি যুদ্ধক্ষেত্র নয়, বরং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধ্বংসস্তূপ ও কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত হয়েছে। মানবতার মর্যাদা রক্ষা এবং অবিলম্বে রক্তপাত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে অবিলম্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা ফোরামের প্রাসঙ্গিকতা থাকবে না।