ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরামর্শ নিতে গিয়ে জজের সঙ্গে প্রেম, তারপর বিয়ে, জজ হলেন চৈতি নিজেও আওয়ামী সন্ত্রাস মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা রাজপথে থাকবে ছাত্রদল: সহ-সভাপতি বাসিত দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, মন্ত্রীর মেয়েসহ ৪ জনের মৃত্যু সালাহউদ্দিন সাহেব সব মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে দায়িত্বশীল, শুধু নিজেরটা পারেন না: জামায়াত আমির ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক সময় পার করছে ফিলিস্তিনিরা: জাতিসংঘে মাহমুদ আব্বাস গোপালগঞ্জে টিউশনি থেকে ফেরার পথে কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা মধ্যরাতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে বাংলায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও দ্রুত কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী  অমিত ‘তদন্তের আওতায় আনা হোক মোদিকে’—ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের জাতিসংঘে কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে বক্তব্য দিলেন যে মুসলিম নেতা

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও দ্রুত কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী  অমিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেল আমদানিনির্ভর দেশ। দেশের নিজস্বভাবে জ্বালানি তেল উৎপাদন নেই। বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বর্তমানে তেল আমদানির উৎসগুলোতে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় সারা বিশ্ব এর কুফল ভোগ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

 

তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল কিনে আনতে হয়। সেখানে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় ও বীমার প্রিমিয়ামও বেড়েছে। মূল্য সমন্বয় না করে সরকার কতদিন থাকতে পারবে? সরকার ছয় মাস চেষ্টা করেছে। যখন বিকল্প সামনে বেশি ছিল না, তখনই সরকারকে কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুতই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীল রাষ্ট্রগুলোও বিষয়টি উপলব্ধি করেছে। সংকট কেটে গেলে জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল হবে। জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে সরকারও দ্রুত দাম সমন্বয় করবে।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার সময় মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় বিষয়ে মেহেরপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্তের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, বিগত সরকারের ক্ষোভ ছিল জনগণের প্রতি। জনগণের প্রতি তাদের রাগ ছিল বলেই তারা নির্বাচন হতে দিতে চায়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন হতে দেওয়া হয়নি, বিনা ভোটে নির্বাচন হয়েছে। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে নেওয়া হয়েছে। কারণ তারা জানত, জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

 

তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে একটি সরকার নির্বাচিত করায় তাদের রাগ হয়েছে জনগণের ওপর। তারা মনে করছে, এতদিন জনগণকে ভোটের বাইরে রাখার পর বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ আবার ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন করেছে। এ কারণেই তারা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়, যাতে জনগণকে কষ্টে রাখা যায়। তাই আমাদের সবার উচিত জনগণের সেবায় কাজ করা। আমরা যারা জনপ্রতিনিধি হয়েছি বা রাজনীতি করি, তারাও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে আসছি।

 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন, জেলা পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, বিজিবির চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান, মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম নজরুল কবীর এবং মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. মো. সাজ্জাৎ হাসানসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পরামর্শ নিতে গিয়ে জজের সঙ্গে প্রেম, তারপর বিয়ে, জজ হলেন চৈতি নিজেও

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে বাংলাদেশেও দ্রুত কমানো হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী  অমিত

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বাংলাদেশ জ্বালানি তেল আমদানিনির্ভর দেশ। দেশের নিজস্বভাবে জ্বালানি তেল উৎপাদন নেই। বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বর্তমানে তেল আমদানির উৎসগুলোতে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় সারা বিশ্ব এর কুফল ভোগ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।

 

তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল কিনে আনতে হয়। সেখানে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় ও বীমার প্রিমিয়ামও বেড়েছে। মূল্য সমন্বয় না করে সরকার কতদিন থাকতে পারবে? সরকার ছয় মাস চেষ্টা করেছে। যখন বিকল্প সামনে বেশি ছিল না, তখনই সরকারকে কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুতই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীল রাষ্ট্রগুলোও বিষয়টি উপলব্ধি করেছে। সংকট কেটে গেলে জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল হবে। জ্বালানি তেলের দাম কমে এলে সরকারও দ্রুত দাম সমন্বয় করবে।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার সময় মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় বিষয়ে মেহেরপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্তের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, বিগত সরকারের ক্ষোভ ছিল জনগণের প্রতি। জনগণের প্রতি তাদের রাগ ছিল বলেই তারা নির্বাচন হতে দিতে চায়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন হতে দেওয়া হয়নি, বিনা ভোটে নির্বাচন হয়েছে। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে নেওয়া হয়েছে। কারণ তারা জানত, জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

 

তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে একটি সরকার নির্বাচিত করায় তাদের রাগ হয়েছে জনগণের ওপর। তারা মনে করছে, এতদিন জনগণকে ভোটের বাইরে রাখার পর বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ আবার ভোট দিয়ে সরকার পরিবর্তন করেছে। এ কারণেই তারা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়, যাতে জনগণকে কষ্টে রাখা যায়। তাই আমাদের সবার উচিত জনগণের সেবায় কাজ করা। আমরা যারা জনপ্রতিনিধি হয়েছি বা রাজনীতি করি, তারাও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে আসছি।

 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন, জেলা পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, বিজিবির চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান, মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম নজরুল কবীর এবং মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. মো. সাজ্জাৎ হাসানসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।