ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক সময় পার করছে। তাদের জীবনের মৌলিক প্রয়োজনীয় সব কিছুকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভাষণে এ মন্তব্য করেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে আব্বাস ও তার প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে সরাসরি জাতিসংঘ সদরদপ্তরে উপস্থিত হয়ে ভাষণ দিতে পারেননি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) এই শীর্ষ নেতা।
নিজের ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান আব্বাস। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কিছু রাষ্ট্র আর কতদিন নিশ্চুপ থাকবে, কিংবা আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে তারা যেসব অস্ত্র ব্যবহার করে তা সরবরাহ করে যাবে? গাজা উপত্যকা এবং পশ্চিম তীরে এর ভয়াবহ পরিণতি দেখেছে বিশ্ব। ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আর কীসের জন্য অপেক্ষা করছে?’
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট। ‘বোর্ড অব পিস’-এর অধীনে একদল অরাজনৈতিক প্রশাসকের গাজা শাসন করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়েছে। তবে আব্বাস বলেছেন, গাজা উপত্যকা দীর্ঘমেয়াদে পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেম থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না।
তিনি বলেন, গাজা উপত্যকা, পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিম তীরকে ‘এক রাষ্ট্র, এক সরকার, এক আইন এবং অস্ত্র বহনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত একমাত্র বৈধ সত্তার’ অধীনে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন।
২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমানে ৯০ বছর বয়সী আব্বাস। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতি এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস আগ্রাসনের কারণে তার প্রতি ফিলিস্তিনিদের আস্থা নেই বললেই চলে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















