ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পর্ক আমাদের জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে: ফজলুর রহমান আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন কারিনা: আসিফ মাহমুদ বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর একই ভুল করলে বিএনপির অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে: ফজলুর রহমান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি, তাই রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন: কায়সার হামিদ স্বামীকে হত্যা করে লাশ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

মোদি সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, ভারতের মাটিতে বিদেশি সেনা মোতায়েনের অনুমতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

এবার বড় দুই সামরিক শক্তি রাশিয়া ও ভারতের একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। গত বছর স্বাক্ষরিত এবং বর্তমানে কার্যকর হওয়া দ্বিপাক্ষিক রিসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিকস সাপোর্ট (রেলস) চুক্তি উভয় দেশ একেঅপরের ভূখণ্ডে সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারবে। রেলস চুক্তিকে বলা হয়েছে, শান্তিকাল ও যুদ্ধকালে  একেঅপরের সামরিক ঘাঁটি, নৌবন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মতো নিজেদের মাটিতে সাময়িকভাবে বিদেশি সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে।

প্রায় আট বছর ধরে আলোচনার পর রেলস চুক্তিটি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয়। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ১৫ ডিসেম্বর ফেডারেল আইনের আওতায় এতে অনুমোদন দেন। চুক্তিটি ১২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত তথ্য রুশ কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করেছেন।

রেলস চুক্তি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে তা নবায়নের সুযোগ রয়েছে। এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, উভয় দেশ একে অপরের ভূখণ্ডে ৩ হাজার সেনা, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ এবং ১০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারবে।

অনুমোদনের পর ক্রেমলিন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘চুক্তিটির উদ্দেশ্য হলো সামরিক ইউনিট মোতায়েন, যুদ্ধজাহাজের বন্দর ব্যবহার এবং উভয় পক্ষের সামরিক বিমানের জন্য আকাশসীমা ও বিমানঘাঁটির অবকাঠামো ব্যবহারের পদ্ধতি নির্ধারণ করা।জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত এবং যুদ্ধজাহাজ ও বিমানের জন্য রসদ প্রদানও এই লজিস্টিকস সহায়তা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে ভারতের সামরিক ভাণ্ডারের বড় অংশজুড়ে থাকা রুশ অস্ত্র ও সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ আরও সহজ হবে। সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ

মোদি সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, ভারতের মাটিতে বিদেশি সেনা মোতায়েনের অনুমতি

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

এবার বড় দুই সামরিক শক্তি রাশিয়া ও ভারতের একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। গত বছর স্বাক্ষরিত এবং বর্তমানে কার্যকর হওয়া দ্বিপাক্ষিক রিসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিকস সাপোর্ট (রেলস) চুক্তি উভয় দেশ একেঅপরের ভূখণ্ডে সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারবে। রেলস চুক্তিকে বলা হয়েছে, শান্তিকাল ও যুদ্ধকালে  একেঅপরের সামরিক ঘাঁটি, নৌবন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারত প্রথমবারের মতো নিজেদের মাটিতে সাময়িকভাবে বিদেশি সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে।

প্রায় আট বছর ধরে আলোচনার পর রেলস চুক্তিটি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয়। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ১৫ ডিসেম্বর ফেডারেল আইনের আওতায় এতে অনুমোদন দেন। চুক্তিটি ১২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত তথ্য রুশ কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করেছেন।

রেলস চুক্তি প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে তা নবায়নের সুযোগ রয়েছে। এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, উভয় দেশ একে অপরের ভূখণ্ডে ৩ হাজার সেনা, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ এবং ১০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারবে।

অনুমোদনের পর ক্রেমলিন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘চুক্তিটির উদ্দেশ্য হলো সামরিক ইউনিট মোতায়েন, যুদ্ধজাহাজের বন্দর ব্যবহার এবং উভয় পক্ষের সামরিক বিমানের জন্য আকাশসীমা ও বিমানঘাঁটির অবকাঠামো ব্যবহারের পদ্ধতি নির্ধারণ করা।জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত এবং যুদ্ধজাহাজ ও বিমানের জন্য রসদ প্রদানও এই লজিস্টিকস সহায়তা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে ভারতের সামরিক ভাণ্ডারের বড় অংশজুড়ে থাকা রুশ অস্ত্র ও সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ আরও সহজ হবে। সূত্র: আল জাজিরা