ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাবে ইরান: ইসমাইল বাঘাই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার (২৫ মে) এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ এ তথ্য জানায়।

 

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উন্নয়নে আমরা অবশ্যই আমাদের অর্থের একটি অংশ ব্যয় করবো। এজন্য আমরা কারও অনুমতি নেবো না।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এটি না করতাম, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রভাবশালী শক্তিগুলো আমাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতো।’

 

ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানানো হলেও, তেহরান আবারও স্পষ্ট করলো যে তারা এ অবস্থান থেকে সরে আসছে না।

 

বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক আলোচনা চলমান থাকলেও ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ এখনো বহাল রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাবে ইরান: ইসমাইল বাঘাই

আপডেট সময় ১০:২৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার (২৫ মে) এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ এ তথ্য জানায়।

 

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উন্নয়নে আমরা অবশ্যই আমাদের অর্থের একটি অংশ ব্যয় করবো। এজন্য আমরা কারও অনুমতি নেবো না।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এটি না করতাম, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রভাবশালী শক্তিগুলো আমাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতো।’

 

ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানানো হলেও, তেহরান আবারও স্পষ্ট করলো যে তারা এ অবস্থান থেকে সরে আসছে না।

 

বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক আলোচনা চলমান থাকলেও ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ এখনো বহাল রয়েছে।