ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে বাজারে এলে কেজিতে ১০ টাকা ছাড়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে দোকানে এলেই প্রতি কেজি সবজিতে মিলছে ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এমন ব্যতিক্রমী এই অফার চালু করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একনিষ্ঠ আর্জেন্টিনা সমর্থক ও সবজি ব্যবসায়ী কাওসার আলী। স্থানীয় কাঁচামালের আড়তে তার দোকানে এখন এই অফার ঘিরেই চলছে তুমুল আলোচনা ও ক্রেতাদের ভিড়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচাবাজারের অন্যান্য দোকানের তুলনায় কাওসার আলীর দোকানটি একেবারেই ব্যতিক্রম। পুরো দোকান সাজানো হয়েছে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে। দোকানের চারপাশে টানানো হয়েছে অসংখ্য আর্জেন্টাইন পতাকা। দূর থেকে দেখলেই মনে হয়, যেন ঠাকুরগাঁওয়ের কাঁচাবাজারে ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা জায়গা করে নিয়েছে।

 

দোকানের সামনে বড় অক্ষরে লেখা ‘আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার’। তার নিচেই ঝুলছে একটি ব্যানার, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে—‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলেই কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়’।

 

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রতিদিন দোকানটিতে ভিড় করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। কেউ বাজার করতে, কেউ ছবি তুলতে, আবার কেউ কৌতূহলবশত শুধু দোকানটি দেখতে আসছেন।

 

এ প্রসঙ্গে সবজি ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপ এলে আমরা সবাই প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠি। কিন্তু জার্সি পরে বাজার করলে ছাড় পাওয়া যাবে—এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আগে কখনো দেখিনি। এতে ফুটবলের আনন্দও বাড়ছে, আবার কিছুটা সাশ্রয়ও হচ্ছে।’

 

আরেক আর্জেন্টিনা সমর্থক রুবেল হোসেন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটির ছবি দেখে আমি এখানে এসেছি। দোকানের সাজসজ্জা ও পরিবেশ দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। ফুটবলকে ঘিরে এমন আয়োজন মানুষকে আনন্দ দেয়।’

 

এ বিষয়ে দোকান মালিক কাওসার আলী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই দলটিকে ঘিরে আলাদা আবেগ কাজ করে। সেই ভালোবাসা থেকেই দোকানটিকে আর্জেন্টিনার রঙে সাজিয়েছি। ক্রেতাদেরও আনন্দ দিতে জার্সি পরে এলে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি।’

 

স্থানীয়দের মতে, ফুটবলকে ঘিরে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এই এলাকায় আগে দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিনই দোকানটি দেখতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে বাজারে এলে কেজিতে ১০ টাকা ছাড়

আপডেট সময় ১২:৫৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে দোকানে এলেই প্রতি কেজি সবজিতে মিলছে ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এমন ব্যতিক্রমী এই অফার চালু করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একনিষ্ঠ আর্জেন্টিনা সমর্থক ও সবজি ব্যবসায়ী কাওসার আলী। স্থানীয় কাঁচামালের আড়তে তার দোকানে এখন এই অফার ঘিরেই চলছে তুমুল আলোচনা ও ক্রেতাদের ভিড়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচাবাজারের অন্যান্য দোকানের তুলনায় কাওসার আলীর দোকানটি একেবারেই ব্যতিক্রম। পুরো দোকান সাজানো হয়েছে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে। দোকানের চারপাশে টানানো হয়েছে অসংখ্য আর্জেন্টাইন পতাকা। দূর থেকে দেখলেই মনে হয়, যেন ঠাকুরগাঁওয়ের কাঁচাবাজারে ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা জায়গা করে নিয়েছে।

 

দোকানের সামনে বড় অক্ষরে লেখা ‘আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার’। তার নিচেই ঝুলছে একটি ব্যানার, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে—‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলেই কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়’।

 

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রতিদিন দোকানটিতে ভিড় করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। কেউ বাজার করতে, কেউ ছবি তুলতে, আবার কেউ কৌতূহলবশত শুধু দোকানটি দেখতে আসছেন।

 

এ প্রসঙ্গে সবজি ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপ এলে আমরা সবাই প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠি। কিন্তু জার্সি পরে বাজার করলে ছাড় পাওয়া যাবে—এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আগে কখনো দেখিনি। এতে ফুটবলের আনন্দও বাড়ছে, আবার কিছুটা সাশ্রয়ও হচ্ছে।’

 

আরেক আর্জেন্টিনা সমর্থক রুবেল হোসেন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটির ছবি দেখে আমি এখানে এসেছি। দোকানের সাজসজ্জা ও পরিবেশ দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। ফুটবলকে ঘিরে এমন আয়োজন মানুষকে আনন্দ দেয়।’

 

এ বিষয়ে দোকান মালিক কাওসার আলী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই দলটিকে ঘিরে আলাদা আবেগ কাজ করে। সেই ভালোবাসা থেকেই দোকানটিকে আর্জেন্টিনার রঙে সাজিয়েছি। ক্রেতাদেরও আনন্দ দিতে জার্সি পরে এলে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি।’

 

স্থানীয়দের মতে, ফুটবলকে ঘিরে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এই এলাকায় আগে দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিনই দোকানটি দেখতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ।