জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা এখন সুযোগের অভাবে সৎ হয়ে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
একই সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পাল্লা দিয়ে অপকর্মে জড়াচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে এনসিপির নেতাকর্মী ও সমন্বয়কদের দাপট দেখা গেছে। বিভিন্ন সময়ে তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, শহীদ ওসমান হাদী এনসিপির তিনটি বিষয়কে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল—জুলাইয়ের ঐক্য বিনষ্ট করা, আওয়ামী লীগের মতো জুলাইকে কুক্ষিগত করা এবং দুর্নীতিতে জড়ানো। তবে বর্তমানে এসব কর্মকাণ্ড আগের মতো দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকারি দল থেকে বিরোধী দলে যাওয়ার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা আর আগের মতো অপকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছেন না। যখন-তখন সচিবালয় কিংবা সচিবের কক্ষে প্রবেশের সুযোগও নেই। তার মতে, এ কারণেই তাদের এখন ‘সুযোগের অভাবে সৎ’ মনে হচ্ছে।
তবে একই সময়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মে জড়ানোর অভিযোগ সামনে আসছে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে, বর্তমানে প্রধান বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড নিয়েও তেমন আলোচনা হচ্ছে।
তবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে—এমন মন্তব্য করতে চান না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আরও সহনশীল হওয়া উচিত। সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
পাশাপাশি সরকারি দলের ছয় মাসের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও ছয় মাসের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























