রাজধানীর কাকরাইলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে জনগণকে দাবি আদায়ের জন্য কর্মস্থল ছেড়ে রাস্তায় দাঁড়াতে হবে না। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যা পাওনা, তা তার হাতে পৌঁছে যাবে।

শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইডিইবি) ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি) আয়োজিত বার্ষিক অধিবেশন-২০২৫ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জামায়াতের ক্ষমতায় গেলে তিনটি প্রধান অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রথম অঙ্গীকার সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা হবে। এমন শিক্ষা চালু করা হবে, যা নৈতিক ও বৈষয়িক সমন্বয়ে মানুষকে প্রকৃত মানুষ বানাবে এবং শিক্ষাজীবন শেষে শিক্ষার্থীরা বেকার থাকবে না। তারা উদ্যোক্তা বা চাকরিজীবী—যেকোনো একটি ক্ষেত্রে যুক্ত হবে।

দ্বিতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি জানান, রাষ্ট্রে কারও মর্যাদা শুধুমাত্র ডিগ্রির ভিত্তিতে নয়, কাজের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

তৃতীয় অঙ্গীকার হলো দুর্নীতির জোয়ার কেটে দেওয়া। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিসের দায়িত্ব যতো বেশি, সেই সার্ভিসের বেতন কাঠামোও ততোটা হবে।

সাংবাদিকদের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে সাংবাদিকদের সাহসিকতার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ দেওয়া হবে, তা জামায়াতের বিপক্ষেও গেলেও। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমরা বিশ্বাস করি, পাঁচ বছরে উন্নয়নের বুলেট ট্রেন চালু না করতে পারলেও উন্নয়নের এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করতে পারব।”

অনুষ্ঠানে এফডিইবির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী আব্দুছ ছাত্তারের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম, সাইফুল আলম মিলন, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রমুখ।