ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পথে পথে সভা সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য মনে হচ্ছে ৬ মাসে বিএনপি সরকার আ.লীগের চেয়ে বেশি অপরাধ করে ফেলেছে: রাশেদ খাঁন জামায়াতের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ প্রবাসীর স্ত্রী ও কোটি টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিচার দাবি মন্ত্রীদের হিসাব করে সত্য কথা বলতে হবে, চাপাবাজির দিন নেই: মান্না ‘সেদিন ডিবি কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে আমাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না’ সোমালিয়ায় গোপন ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন যুদ্ধের ইঙ্গিত জামায়াত দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে : প্রতিমন্ত্রী নুর গণভোটের রায় উপেক্ষা করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ: মামুনুল হক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে আবারো হাসিনা প্রসঙ্গ

ঢাবির ট্রেজারারের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের অশোভন আচরণ খুবই নিন্দনীয়: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের সঙ্গে কয়েকজন ডাকসু নেতা যেভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে অশোভন আচরণ করেছে তা খুবই নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে নাছির উদ্দিন নাছির লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মহোদয়ের সাথে কয়েকজন ডাকসু নেতা যেভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে অশোভন আচরণ করেছে তা খুবই নিন্দনীয়। ওই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ট্রেজারার মহোদয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় সংগঠক ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

বিগত প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার দায় বর্তমান ট্রেজারার মহোদয়ের ওপর চাপিয়ে অযাচিত চাপসৃষ্টি করা অছাত্রসুলভ ও বিবেকহীন আচরণ।  ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরও লেখেন, ডাকসুর পদবি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর মবতন্ত্র প্রয়োগ করা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তাদের দাবি আদায়ে নিয়মতান্ত্রিক পন্থা অনুসরণ করার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং অ্যাকাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের কাছে অগ্রাধিকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে-উদ্বাস্তু, নেশাগ্রস্ত কিংবা মানসিক ভারসাম্যহীন অথবা বীভৎস রোগাক্রান্তদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতা জরুরি। তারা শিক্ষার্থীদের এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়াও ক্যাম্পাস এবং আশেপাশের জায়গাগুলোতে সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অনেক অনুমোদিত বা ভাসমান দোকানপাট রয়েছে। এর বেশিরভাগই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করে। ক্যাম্পাসে দোকান পরিচালনার অনুমোদনের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। একটি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুমোদিত এবং অনুমোদিত দোকানপাট চিহ্নিত করতে হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে স্থায়ী বা অস্থায়ী বা ভাসমান দোকান পরিচালনা করে আসছে তাদের একটি যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা সঠিক পদক্ষেপ নয়।সবশেষ তিনি লেখেন, আমরা মনে করি প্রশাসনের উচিত এক্ষেত্রে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দোকানপাটগুলোকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা। অন্যথায়,  নিত্যনতুন বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পথে পথে সভা সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য

ঢাবির ট্রেজারারের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের অশোভন আচরণ খুবই নিন্দনীয়: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক

আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের সঙ্গে কয়েকজন ডাকসু নেতা যেভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে অশোভন আচরণ করেছে তা খুবই নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে নাছির উদ্দিন নাছির লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মহোদয়ের সাথে কয়েকজন ডাকসু নেতা যেভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে অশোভন আচরণ করেছে তা খুবই নিন্দনীয়। ওই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ট্রেজারার মহোদয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় সংগঠক ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

বিগত প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার দায় বর্তমান ট্রেজারার মহোদয়ের ওপর চাপিয়ে অযাচিত চাপসৃষ্টি করা অছাত্রসুলভ ও বিবেকহীন আচরণ।  ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরও লেখেন, ডাকসুর পদবি ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর মবতন্ত্র প্রয়োগ করা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তাদের দাবি আদায়ে নিয়মতান্ত্রিক পন্থা অনুসরণ করার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং অ্যাকাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের কাছে অগ্রাধিকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে-উদ্বাস্তু, নেশাগ্রস্ত কিংবা মানসিক ভারসাম্যহীন অথবা বীভৎস রোগাক্রান্তদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতা জরুরি। তারা শিক্ষার্থীদের এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়াও ক্যাম্পাস এবং আশেপাশের জায়গাগুলোতে সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অনেক অনুমোদিত বা ভাসমান দোকানপাট রয়েছে। এর বেশিরভাগই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করে। ক্যাম্পাসে দোকান পরিচালনার অনুমোদনের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। একটি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুমোদিত এবং অনুমোদিত দোকানপাট চিহ্নিত করতে হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে স্থায়ী বা অস্থায়ী বা ভাসমান দোকান পরিচালনা করে আসছে তাদের একটি যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা সঠিক পদক্ষেপ নয়।সবশেষ তিনি লেখেন, আমরা মনে করি প্রশাসনের উচিত এক্ষেত্রে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দোকানপাটগুলোকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা। অন্যথায়,  নিত্যনতুন বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে।