ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কড়াইল বস্তিতে হাজারো ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই, অক্ষত কোরআন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হাজারো মানুষ সর্বস্ব হারালেও অলৌকিকভাবে অক্ষত রয়েছে পবিত্র কোরআনের কপি ও মসজিদ। আগুনে হাজারো ঘরবাড়ি, দোকানপাট, ফার্নিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির কোনো ক্ষতি হয়নি, যা স্থানীয়দের বিস্মিত করেছে।

এদিকে স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের মূল প্রবাহের বাইরে থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। আশপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ ও পবিত্র কোরআনের কপি অক্ষত অবস্থায় মিলেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকে এটিকে আল্লাহর রহমত হিসেবে দেখছেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংগঠনগুলো দ্রুত এগিয়ে এসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদে সরানোর উদ্যোগ নেয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর মসজিদে অক্ষত কোরআন দেখে বহু মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এদিকে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি খাদ্য, আশ্রয় ও পুনর্বাসনের দাবি উঠেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কড়াইল বস্তিতে হাজারো ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই, অক্ষত কোরআন

আপডেট সময় ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

এবার রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে বুধবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হাজারো মানুষ সর্বস্ব হারালেও অলৌকিকভাবে অক্ষত রয়েছে পবিত্র কোরআনের কপি ও মসজিদ। আগুনে হাজারো ঘরবাড়ি, দোকানপাট, ফার্নিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির কোনো ক্ষতি হয়নি, যা স্থানীয়দের বিস্মিত করেছে।

এদিকে স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও মসজিদটি আগুনের মূল প্রবাহের বাইরে থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। আশপাশের ঘরবাড়ি প্রায় সম্পূর্ণ পুড়ে গেলেও মসজিদ ও পবিত্র কোরআনের কপি অক্ষত অবস্থায় মিলেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকে এটিকে আল্লাহর রহমত হিসেবে দেখছেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় কমিউনিটি ও ইসলামিক সংগঠনগুলো দ্রুত এগিয়ে এসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং ধর্মীয় সামগ্রী নিরাপদে সরানোর উদ্যোগ নেয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর মসজিদে অক্ষত কোরআন দেখে বহু মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এদিকে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি খাদ্য, আশ্রয় ও পুনর্বাসনের দাবি উঠেছে।