ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম ৫০ কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী ডা. তাহের বড় ব্যবধানে এগিয়ে ঢাকা-১০ আসনে ৪ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে বিএনপি যশোর-২ চৌগাছা ৬০ কেন্দ্রে জামায়াত এগিয়ে, ধানের শীষ পেছনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে ৪৫ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে পরাজিত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, জয়ী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষে জয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা-১৫ আসনে ৩০ কেন্দ্রে এগিয়ে ডা. শফিকুর রহমান, দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ ভোটগ্রহণ ঢাকা-৬ আসনে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে ইশরাক হোসেন, ধানের শীষে ২৮০০ ভোট

এবার ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

এবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ে নির্মাণকাজে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে আজ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আলামত নষ্ট বা সাক্ষীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় তাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে দুদক।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেনসাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, অ্যারনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, সাবেক উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. ইউনুস ভূঁইয়া।

এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। প্রচলিত ক্রয়প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান লঙ্ঘন করে একটি চীনা কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদানে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ অন্য আসামিরা। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে স্থানীয় এজেন্ট অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশে প্রকল্প থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম

এবার ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ে নির্মাণকাজে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে আজ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলো। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আলামত নষ্ট বা সাক্ষীদের ওপর প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় তাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে দুদক।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেনসাবেক সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনেন্দ্রনাথ সরকার, বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, অ্যারনেস ইন্টারন্যাশনালের মালিক লুৎফুল্লাহ মাজেদ, এমডি মাহবুব আনাম, সাবেক উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক মো. ইউনুস ভূঁইয়া।

এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। প্রচলিত ক্রয়প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান লঙ্ঘন করে একটি চীনা কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদানে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন তারিক আহমেদ সিদ্দিকীসহ অন্য আসামিরা। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে স্থানীয় এজেন্ট অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশে প্রকল্প থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।