ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রয়োজনে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত: জামায়াতে আমির ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, পদচ্যুতি দরকার: সাবেক সিআইএ পরিচালক লেবানন-ইরানে হামলাকে তুরস্কের ওপর হামলা হিসেবে দেখা হবে: ইসরাইলকে এরদোগানের হুঁশিয়ারি ১০০ টাকা রিচার্জে সেবা মেলে মাত্র ৬২ টাকার, পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার ইরান ক্ষেপণাস্ত্র তাক করতেই হরমুজ থেকে ‘পালাল’ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ আগামী সপ্তাহ থেকে ভারতীয় ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা অনলাইন জুয়াই মাদরাসার ৭০ হাজার টাকা হারিয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা হামলার মাত্র ৫ দিনেই ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ মেরামত করলো ইরান, যোগাযোগ স্বাভাবিক পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বড় যে অস্ত্র এখন ইরানের হাতে ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকি ‘অত্যন্ত হাস্যকর’: ইরানের নৌবাহিনী প্রধান

আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার: এম এ আজিজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পাকড়াও করলে ডিপ স্টেট কোনটা, কার পরামর্শে করা হলো তা জানা যাবে। তাকে তো রাজসাক্ষী করা যাবে। ড. ইউনূস সংসদ অধিবেশন ডাকলে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে বসে থাকে, কত ছোট লোক। এখনো তার হয়তো ভিতরে সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সজীব ভূঁইয়াকে এখনই গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার। মানচিত্রের নিয়মিত আয়োজনে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

এম এ আজিজ বলেন, অনেক সময় বলা হয়, জুলাই সনদ অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ, হলো অবৈধ। তাহলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া হবে রাজসাক্ষী এবং ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার হবে আসামি। কারণ যত চুক্তি হয়েছে সব ডিপ স্টেটের পরামর্শে হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেছিলেন সেটি ভুল বলেননি। তিনি বলেন, প্রথমে বুঝতে হবে সজীব ভূঁইয়া সে এনসিপির মুখপাত্র, তার যে রাজনীতি করার ম্যাচুরিটি হয় নাই, এটা তিনি বুঝতে পারেন নাই। কারণ আমাদের দেশে আসলে ওই অর্থে ডিপ স্টেট কিন্তু পুরোপুরি ফাংশন করে না।

আমাদের দেশের যে ডিপ স্টেট সেটা কিন্তু বিদেশী ডিপ স্টেট গুলো পরাশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তাদের নির্দেশে ফাংশন করে। ডিপ স্টেট মানে হচ্ছে সব এজেন্সির একটা আলাদা এবং সরকারের একটা চিকেন ক্যাবিনেট থাকে, তাদের সমন্বয়ে যেটা হয় এটাকে ডিপ স্টেট বলে, অর্থাৎ পলিসি মেকিং। সোজা কথা, আমাদের দেশের এই ডিপ স্টেট স্বাধীনভাবে পলিসি মেকিং করতে পারে না।

. ইউনূসের গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়া যে স্টেটমেন্টটা দিল যে ডিপ স্টেট ৪৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা। তাকে কুইজ করলে তো সব বেরিয়ে পড়বে এবং অবশ্যই এর সঙ্গে ড. ইউনূস জড়িত আছে। তিনিই সব মেডিকুলাস ডিজাইন করছে। তাকে সে কথা বলে না, কথা শোনে এবং কথা বলার সময় যদি, কিন্তু, তবে দিয়ে বলে। সুতরাং এই ড. ইউনূসকে তো ইতোমধ্যে তাকে দেশ থেকে তাড়ানো উচিত ছিল অথবা গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। কারণ সে তো অনেক অপরাধ করে ফেলছে।

তিনি আরো বলেন, দুদকে প্রায় সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ বিচার তো তারেক রহমানের সরকারকে করতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। দোষী হলে বিচার হবে, দোষী না হলে বিচার হবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়োজনে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত: জামায়াতে আমির

আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার: এম এ আজিজ

আপডেট সময় ০১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

এবার ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পাকড়াও করলে ডিপ স্টেট কোনটা, কার পরামর্শে করা হলো তা জানা যাবে। তাকে তো রাজসাক্ষী করা যাবে। ড. ইউনূস সংসদ অধিবেশন ডাকলে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে বসে থাকে, কত ছোট লোক। এখনো তার হয়তো ভিতরে সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সজীব ভূঁইয়াকে এখনই গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার। মানচিত্রের নিয়মিত আয়োজনে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

এম এ আজিজ বলেন, অনেক সময় বলা হয়, জুলাই সনদ অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ, হলো অবৈধ। তাহলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া হবে রাজসাক্ষী এবং ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার হবে আসামি। কারণ যত চুক্তি হয়েছে সব ডিপ স্টেটের পরামর্শে হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেছিলেন সেটি ভুল বলেননি। তিনি বলেন, প্রথমে বুঝতে হবে সজীব ভূঁইয়া সে এনসিপির মুখপাত্র, তার যে রাজনীতি করার ম্যাচুরিটি হয় নাই, এটা তিনি বুঝতে পারেন নাই। কারণ আমাদের দেশে আসলে ওই অর্থে ডিপ স্টেট কিন্তু পুরোপুরি ফাংশন করে না।

আমাদের দেশের যে ডিপ স্টেট সেটা কিন্তু বিদেশী ডিপ স্টেট গুলো পরাশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তাদের নির্দেশে ফাংশন করে। ডিপ স্টেট মানে হচ্ছে সব এজেন্সির একটা আলাদা এবং সরকারের একটা চিকেন ক্যাবিনেট থাকে, তাদের সমন্বয়ে যেটা হয় এটাকে ডিপ স্টেট বলে, অর্থাৎ পলিসি মেকিং। সোজা কথা, আমাদের দেশের এই ডিপ স্টেট স্বাধীনভাবে পলিসি মেকিং করতে পারে না।

. ইউনূসের গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়া যে স্টেটমেন্টটা দিল যে ডিপ স্টেট ৪৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা। তাকে কুইজ করলে তো সব বেরিয়ে পড়বে এবং অবশ্যই এর সঙ্গে ড. ইউনূস জড়িত আছে। তিনিই সব মেডিকুলাস ডিজাইন করছে। তাকে সে কথা বলে না, কথা শোনে এবং কথা বলার সময় যদি, কিন্তু, তবে দিয়ে বলে। সুতরাং এই ড. ইউনূসকে তো ইতোমধ্যে তাকে দেশ থেকে তাড়ানো উচিত ছিল অথবা গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। কারণ সে তো অনেক অপরাধ করে ফেলছে।

তিনি আরো বলেন, দুদকে প্রায় সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ বিচার তো তারেক রহমানের সরকারকে করতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। দোষী হলে বিচার হবে, দোষী না হলে বিচার হবে না।