ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, প্রতিরোধের পূর্ণ প্রস্তুতিতে ইরান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা মামলা হওয়া প্রয়োজন: আইনজীবী সুব্রত ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল আর হামলা নয়, ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ বজ্রাঘাতে কোল থেকে ছিটকে পড়ে ছোট্ট সাফিয়া, প্রাণ গেল বাবার চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ২ বছরের শিশুকে বাঁচালেন বাবা

আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার: এম এ আজিজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

এবার ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পাকড়াও করলে ডিপ স্টেট কোনটা, কার পরামর্শে করা হলো তা জানা যাবে। তাকে তো রাজসাক্ষী করা যাবে। ড. ইউনূস সংসদ অধিবেশন ডাকলে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে বসে থাকে, কত ছোট লোক। এখনো তার হয়তো ভিতরে সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সজীব ভূঁইয়াকে এখনই গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার। মানচিত্রের নিয়মিত আয়োজনে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

এম এ আজিজ বলেন, অনেক সময় বলা হয়, জুলাই সনদ অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ, হলো অবৈধ। তাহলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া হবে রাজসাক্ষী এবং ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার হবে আসামি। কারণ যত চুক্তি হয়েছে সব ডিপ স্টেটের পরামর্শে হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেছিলেন সেটি ভুল বলেননি। তিনি বলেন, প্রথমে বুঝতে হবে সজীব ভূঁইয়া সে এনসিপির মুখপাত্র, তার যে রাজনীতি করার ম্যাচুরিটি হয় নাই, এটা তিনি বুঝতে পারেন নাই। কারণ আমাদের দেশে আসলে ওই অর্থে ডিপ স্টেট কিন্তু পুরোপুরি ফাংশন করে না।

আমাদের দেশের যে ডিপ স্টেট সেটা কিন্তু বিদেশী ডিপ স্টেট গুলো পরাশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তাদের নির্দেশে ফাংশন করে। ডিপ স্টেট মানে হচ্ছে সব এজেন্সির একটা আলাদা এবং সরকারের একটা চিকেন ক্যাবিনেট থাকে, তাদের সমন্বয়ে যেটা হয় এটাকে ডিপ স্টেট বলে, অর্থাৎ পলিসি মেকিং। সোজা কথা, আমাদের দেশের এই ডিপ স্টেট স্বাধীনভাবে পলিসি মেকিং করতে পারে না।

. ইউনূসের গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়া যে স্টেটমেন্টটা দিল যে ডিপ স্টেট ৪৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা। তাকে কুইজ করলে তো সব বেরিয়ে পড়বে এবং অবশ্যই এর সঙ্গে ড. ইউনূস জড়িত আছে। তিনিই সব মেডিকুলাস ডিজাইন করছে। তাকে সে কথা বলে না, কথা শোনে এবং কথা বলার সময় যদি, কিন্তু, তবে দিয়ে বলে। সুতরাং এই ড. ইউনূসকে তো ইতোমধ্যে তাকে দেশ থেকে তাড়ানো উচিত ছিল অথবা গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। কারণ সে তো অনেক অপরাধ করে ফেলছে।

তিনি আরো বলেন, দুদকে প্রায় সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ বিচার তো তারেক রহমানের সরকারকে করতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। দোষী হলে বিচার হবে, দোষী না হলে বিচার হবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন

আসিফ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার: এম এ আজিজ

আপডেট সময় ০১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

এবার ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ বলেছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পাকড়াও করলে ডিপ স্টেট কোনটা, কার পরামর্শে করা হলো তা জানা যাবে। তাকে তো রাজসাক্ষী করা যাবে। ড. ইউনূস সংসদ অধিবেশন ডাকলে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে বসে থাকে, কত ছোট লোক। এখনো তার হয়তো ভিতরে সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সজীব ভূঁইয়াকে এখনই গ্রেপ্তার করে রাজসাক্ষী করা দরকার। মানচিত্রের নিয়মিত আয়োজনে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

এম এ আজিজ বলেন, অনেক সময় বলা হয়, জুলাই সনদ অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ, হলো অবৈধ। তাহলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া হবে রাজসাক্ষী এবং ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার হবে আসামি। কারণ যত চুক্তি হয়েছে সব ডিপ স্টেটের পরামর্শে হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেছিলেন সেটি ভুল বলেননি। তিনি বলেন, প্রথমে বুঝতে হবে সজীব ভূঁইয়া সে এনসিপির মুখপাত্র, তার যে রাজনীতি করার ম্যাচুরিটি হয় নাই, এটা তিনি বুঝতে পারেন নাই। কারণ আমাদের দেশে আসলে ওই অর্থে ডিপ স্টেট কিন্তু পুরোপুরি ফাংশন করে না।

আমাদের দেশের যে ডিপ স্টেট সেটা কিন্তু বিদেশী ডিপ স্টেট গুলো পরাশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তাদের নির্দেশে ফাংশন করে। ডিপ স্টেট মানে হচ্ছে সব এজেন্সির একটা আলাদা এবং সরকারের একটা চিকেন ক্যাবিনেট থাকে, তাদের সমন্বয়ে যেটা হয় এটাকে ডিপ স্টেট বলে, অর্থাৎ পলিসি মেকিং। সোজা কথা, আমাদের দেশের এই ডিপ স্টেট স্বাধীনভাবে পলিসি মেকিং করতে পারে না।

. ইউনূসের গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়া যে স্টেটমেন্টটা দিল যে ডিপ স্টেট ৪৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা। তাকে কুইজ করলে তো সব বেরিয়ে পড়বে এবং অবশ্যই এর সঙ্গে ড. ইউনূস জড়িত আছে। তিনিই সব মেডিকুলাস ডিজাইন করছে। তাকে সে কথা বলে না, কথা শোনে এবং কথা বলার সময় যদি, কিন্তু, তবে দিয়ে বলে। সুতরাং এই ড. ইউনূসকে তো ইতোমধ্যে তাকে দেশ থেকে তাড়ানো উচিত ছিল অথবা গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। কারণ সে তো অনেক অপরাধ করে ফেলছে।

তিনি আরো বলেন, দুদকে প্রায় সব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ বিচার তো তারেক রহমানের সরকারকে করতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। দোষী হলে বিচার হবে, দোষী না হলে বিচার হবে না।